শুষ্ক শহর, জেলায় ছিটেফোঁটা বৃষ্টি, নিম্নচাপের জেরে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছেই

0

Last Updated on July 5, 2022 6:19 PM by Khabar365Din

- Advertisement -

৩৬৫ দিন। মেঘলা আকাশই সার! জেলাতে বৃষ্টির দেখা মিললেও শহর রইল কার্যত শুষ্কই। তবে, বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছেই। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের খবর, বাংলাদেশের কাছে ঘনীভূত একটি ঘূর্ণাবর্ত ক্রমশ এগিয়ে আসছে ওড়িশার দিকে। সেই থেকেই কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ঝাড়খণ্ডে অবস্থিত ঘূর্ণাবর্ত শক্তি বাড়িয়ে আগামী ২৪ ঘন্টায় একটি নিম্নচাপে পরিণত হবে। আর তার থেকেই বৃষ্টির পূর্বাভাস।

যদিও, গত শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে ভারী বৃষ্টি হয় কলকাতায়। উপকূলের জেলাগুলিতে অর্থাৎ দুই মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানায় দফতর। এদিন, কলকাতা ছাড়াও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মেদিনীপুর, বর্ধমান,বাঁকুড়া, বীরভূম, সহ একাধিক জেলায় বৃষ্টি হয়েছে।

মৌসম ভবনের খবর অনুযায়ী, ঝাড়খণ্ড এবং সন্নিহিত অঞ্চলে থাকা ঘূর্ণাবর্ত এবং দক্ষিণ পশ্চিম রাজস্থান থেকে পশ্চিম মধ্য আরব সাগর পর্যন্ত বিস্তৃত থাকা অক্ষরেখার কারণে কর্ণাটক, কেরল, গুজরাত, মধ্য মহারাষ্ট্র, অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল, তেলেঙ্গানা বৃষ্টি চলবে।ভারী বৃষ্টি হবে সিকিম, ঝাড়খণ্ড ওড়িশায়।

জুনের শেষে আবহাওয়া দফতর জানায়, বর্ষা প্রবেশের পর থেকে হিসেব করে দেখা গিয়েছে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির ঘাটতি ৪৯ শতাংশ। এদিকে, উত্তরবঙ্গ প্রথম থেকেই বর্ষা মঙ্গল। সেখানে স্বাভাবিকের থেকে ৫০ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি হওয়ার কথা, ৪৮৪.৬ শতাংশ। কিন্তু, হয়েছে ৭২৭.৫ শতাংশ। গোটা পশ্চিমবঙ্গে সার্বিকভাবে স্বাভাবিকের থেকে ৯ শতাংশ কম বৃষ্টি হয়েছে। কলকাতায় বৃষ্টির ঘাটতি ৫৯ শতাংশ।

কিছুদিন আগে আলিপুর আবহাওয়া দফতরের অধিকর্তা গণেশ কুমার দাস জানান, মৌসুমী বায়ু দুর্বল। তাই, দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা প্রবেশের পর থেকে একটানা ভারী বৃষ্টি হয়নি। যা হয়েছে বিক্ষিপ্তভাবে। মাঝে দু একবার প্রতিবেশী রাজ্যের ঘূর্ণাবর্ত এবং অক্ষরেখার দরুণ জলীয় বাষ্প ঢুকছিল সমতলে। তার ফলে উত্তরবঙ্গে একটানা ভারী বৃষ্টি এবং দক্ষিণবঙ্গে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হচ্ছিল। কিন্তু, এখন সেভাবে কোন সিস্টেম না থাকায় সক্রিয় নয় মৌসুমী বায়ু।

Advertisement

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here