ওমিক্রনের সাব ভ্যারিয়েন্ট বিএ.৫, বিএ.৪ এর বাড়বাড়ন্ত এই রাজ্যে বাড়ছে সংক্রমণ

0

৩৬৫ দিন। একমাসেই বদলেছে গ্রাফ। কিন্তু, এর কারণ কি? অর্থাৎ, ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমনের জন্যে দায়ী কোন স্ট্রেন? এরকম নানাবিধ প্রশ্ন উঠেছে বারংবার। এক সাম্প্রতিক জিনোম সিকোয়েন্স এর ফলাফলে দেখা গিয়েছে, এই সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণ, ওমিক্রনের সাব ভ্যারিয়েন্ট। বিএ২ এর জায়গা নিতে শুরু করেছে বিএ৪, বিএ৫। যার (বিএ২) কারণে চলতি বছরের শুরুর দিকে বাড়তে শুরু করেছিল করোনা গ্রাফ।

- Advertisement -

এই প্রসঙ্গে রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা সিদ্ধার্থ নিয়োগী জানান, রাজ্যে পজেটিভ নমুনার জিনোম সিকোয়েন্স করা হচ্ছে। ওমিক্রণ প্রজাতির সাব ভ্যারিয়েন্ট খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে বিএ৪, বিএ৫। কিন্তু, এখনই চিন্তার কোন কারন নেই। কারণ, বিএ৫ ভ্যারিয়েন্ট দারুন ভাবে সংক্রমক ঠিকই। কিন্তু, এর মারণ ক্ষমতা কিছুটা কম। তাই যাদের কোমর্বিডিটি নেই, তাদের চিন্তার বিশেষ কারণ নেই। দেখা যাচ্ছে, ধীরে ধীরে বিএ২ ভ্যারিয়েন্ট জায়গার আসছে বিএ৫।

একাংশ বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, বেশিরভাগটাই বিএ৫, যে কারণে বাড়ছে সংক্রমণ। চিকিৎসক রাজীব কর জানান, টিকা নেওয়া বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে পরতে হবে মাস্ক। সংক্রমণ থেকে বাঁচার এটাই প্রাথমিক উপায়। জিনোম সিকোয়েন্স করার জন্যে নমুনা পাঠানো হয় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ বায়োমেডিকাল কল্যাণীতে। সেখানেই দেখা যায়, বিএ৫ এর সঙ্গে সঙ্গে কিছু কিছু বিএ৪ এর অস্তিত্বও পাওয়া গিয়েছে।

এর পাশাপাশি বিভিন্ন মহলের চিকিৎসকরাও জানিয়েছেন, এক সপ্তাহের মধ্যে সংক্রমণ বেড়ে গিয়েছে দ্বিগুণ। আগামী দিনে এটি সর্বোচ্চ জায়গায় পৌঁছবে। তারপর, আবার কমতে শুরু করবে। এদিকে, গতকাল সংক্রমণ ছিল কিছুটা কম। কিন্তু, সংক্রমনের হার ছিল ১৪.৯৪ শতাংশ। স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৪৯৯ জন। মৃত ৩ জন। অর্থাৎ, ফের বাড়তে শুরু করেছে মৃত্যু। সুস্থতার হার কমছে, ৯৮.৫০ শতাংশ।

Advertisement

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here