Pujar Shopping: পুজো সেল, দু বছর পর চাঙ্গা ব্যবসা, লাল-খাতায় ফিরছে লাভের অঙ্ক, খুশি ক্রেতা থেকে বিক্রেতা সকলেই

0

Last Updated on September 13, 2022 10:52 PM by Khabar365Din

- Advertisement -

৩৬৫ দিন। উইকেন্ড প্লাস পুজো সেল। চাঙ্গা ব্যবসা। দু বছর পর করোনার কালো সময় পেরিয়ে ব্যবসার লাল-খাতায় ফিরছে লাভের অঙ্ক। খুশি ক্রেতা থেকে বিক্রেতা সকলেই। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে কার্যত, উপচে পড়া ভিড়। এই প্রসঙ্গে গড়িয়াহাট মার্কেটের ব্যবসায়ী রাজকমল দে জানান, ২০২০ সালে বিক্রি প্রায় ছিল না। কারণ, পুজো প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ২০২১ সালে অল্প বিস্তর কেনাবেচা হলেও করোনার আগের সময়ের মত নয়।

কিন্তু, এবার তুলনামূলকভাবে চাঙ্গা ব্যবসা। বিক্রি আগের থেকে অনেকটাই বেড়েছে। তবে, মনের মত জিনিসের দাম নিয়ে চলছে অনেকটাই দামাদামি। হাতিবাগান পুজোর কেনাকাটা করতে এসে ক্রেতা পূজা সরকার জানান, জিনিসপত্রের দাম তুলনামূলক বেশি। ডিসকাউন্ট থাকলেও সেটাও নেহাত কম। তবে, দু বছর পর পুজোর আনন্দে সামিল হতে দরদাম করেই চলছে বেচাকেনা।

বিক্রেতাদের বক্তব্য, করোনার মধ্যে চাষবাসে ক্ষতির কারণে তুলো এবং সুতোর দাম দুই বেড়েছে। ফলে, সেই দামের কারণে পোশাকের দাম কিছুটা হলেও বেড়েছে। এছাড়াও, পরিবহন সহ অন্যান্য খরচও রয়েছে। সবমিলিয়ে, দাম বেড়েছে জিনিসপত্রের। অন্যদিকে, ক্রেতাদের একাংশ জানাচ্ছেন, বছরে একবারই দুর্গাপুজো। তাই কোনভাবেই আপোস নয়। আর, এদিকে একইসঙ্গে শহরে বাড়ছে মাস্কহীনদের দাপট। করোনা এবং মাংকি পক্স এর হুজুগ মেটেনি। তার মধ্যেই প্রাক পুজো মরশুমে বাড়ল বিধিভঙ্গের নজির।

ট্রেন, বাস, ট্রাম সর্বত্রই মানুষের মুখে নেই বাস। আপাতভাবে, রাজ্যে করোনা সংক্রমণ অনেকটাই কম। কয়েক সপ্তাহ ধরে সংক্রমণ গ্রাফ রয়েছে হাজারের নিচেই। মৃত্যুহার কমেছে। বেড়েছে সুস্থতা। প্রসঙ্গত, করোনা ভাইরাসের কারণে শুধুমাত্র পোশাকের ব্যবসায় নয় সার্বিকভাবে মার সমস্ত ক্ষেত্রই। পটুয়া পাড়ায় কমে যায় অর্ডার। দারুনভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয় মৃৎশিল্পী থেকে শুরু করে আলোক শিল্পী সকলেই।

অন্যদিকে, করোনা কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও মাংকি পক্স নিয়ে বাড়ছে চিন্তা। তবে, রাজ্যে সমস্ত প্রস্তুতি সেরে ফেলেছে সরকার। একইসঙ্গে, মাংকি পক্স মহামারী আকার নেওয়ার সম্ভাবনা যথেষ্ট কম বলেই জানাচ্ছেন গবেষকদের একাংশ।

Advertisement

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here