জামিন হল না,পরীমণি’র জেল হেফাজত,মক্ষীরানির জবানবন্দিতে
পাকিস্তান কানেকশন

0
1520

- Advertisement -

খবর ৩৬৫ দিন ও বাংলাদেশ সংবাদসংস্থা যৌথভাবে


৩৬৫ দিন। মক্ষীরানী পরীমণির সঙ্গে দেশিবিদেশি ১৭টি সিনেমা ও বিনোদন সংস্থার যোগ রয়েছে। তার মধ্যে পাকিস্তানি দুটি সিনেমা প্রযোজনা সংস্থারও নাম রয়েছে। তাকে কেন্দ্র করেই তৈরি হয়েছিল কালো টাকা সাদা করার এক বিরাট চক্র বলা ভালো আন্তর্জাতিক চক্র । এর সঙ্গে যুক্ত ছিল মাদক কারবারি এবং মধুচক্র। পরীমনিকে জেরা করে এমনইসব চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে বাংলাদেশ সিআইডির হাতে। সূত্রের খবর, দেশবিদেশের একাধিক প্রভাবশালী ব্যবসায়ীরা তাদের কালো টাকা ঢালতেন পরীমণির সিনেমায়। বাংলাদেশের এই হট নায়িকাকে ঘিরেই চলত দেশি বিদেশি নামী দামি সিনেমা ও বিনোদন সংস্থার কালো টাকা সাদা করার কাজ। শুধু তাই নয়, এদের মধ্যে অনেকের সঙ্গে মাদক পাচার এবং মধুচক্ররও ডিলিং ছিল পরীমণির। তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই কোনো সিনেমা প্রযোজনা কিংবা বিনোদন সংস্থার নাম প্রকাশ্যে আনতে চাইছে না বাংলাদেশের গোয়েন্দারা। তাই এই বিষয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করতে নারাজ তারা। এদিকে,মাদক মামলায় গ্রেফতার পরীমণিকে শনিবার জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয় ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। একদিনের পুলিশ রিমান্ড শেষে শনিবার সকাল ১১টা৫০ মিনিটে আদালতে নিয়ে আসা হয় তাকে। দুপুর ২টা ৫০ মিনিট নাগাদ শুনানি শুরু হয়। এজলাসকক্ষেই পরীমণির সঙ্গে কথা বলার জন্য বিচারপতির কাছে অনুরোধ করেন তার আইনজীবীরা।

আবেদনে পরীমণির আইনজীবীরা বলেন, আইনি পরামর্শের জন্য তাঁরা পরীমণির সঙ্গে কথা বলতে চান। এটা তাঁর আইনি অধিকার। আজ তাঁরা জামিন চেয়ে আবেদন করবেন না। আইনজীবীদের এ কথা শোনার পরই আবারও একবার কোর্টরুমে কান্নাকাটি করে দেন মক্ষীরানী। পরীমণি চোখের জল ফেলে নাটকীয়ভাবে আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে বলতে থাকেন, কেন আমার জামিন আবেদন করলেন না? আমি তো পাগল হয়ে যাব? আপনারা জামিন চান, আপনারা আমার সঙ্গে কী কথা বলবেন? আপনারা বুঝতেছেন, আমার কী কষ্ট হচ্ছে? অবশ্য পরীমণির সঙ্গে কথা বলার অনুমতি চেয়ে করা আবেদনের বিরোধিতা করেন সরকারি আইনজীবী আবদুল্লাহ আবু। শুনানির সময় সরকারি আইনজীবী আদালতে আবেদন করে বলেন, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরীমণিকে জেল হেফাজতে রাখা দরকার। পরীমণি মামলার বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে পুলিশ কে। সেইসব তথ্য তদন্তের স্বার্থে যাচাই করা হচ্ছে। মামলার তদন্ত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে জেলে রাখা প্রয়োজন ৷ সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে শেষপর্যন্ত বাংলাদেশের এই হট নায়িকাকে জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত। দুপুর সাড়ে ৩ টে নাগাদ তাঁকে আদালতের থেকে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়৷

Advertisement

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here