বন্ধক রাখা পতৌদি প্যালেস
৮০০ কোটি দিয়ে
মাকে ফেরালেন সইফ

0

Last Updated on October 24, 2020 2:15 PM by Khabar365Din

৩৬৫ দিন। পতৌদি প্যালেসের নরম সবুজ উল্লেখ্য, এই বাড়ির লিজে দেওয়া ছিল ঘাসে মােড়া লনে বাবা মনসুর আলি খান নিমরানা গ্রুপকে। তাঁরা বাড়ির কিছু আসবাব পতৌদির সঙ্গে পােলা খেলে লম্বা টানা বদলে নবম পতৌদিনবাব ইব্রাহিম আলি খান চেকার্ড করিডোের পেরিয়ে মায়ের কোলে পতৌদির সাধের বাড়িটিকে হােটেলের রূপ ঝাঁপ দেওয়ার অনুভূতি আজও অমলিন দিয়েছিলেন। সইফ এবং তাঁর পরিবার চাইলে ছােটেনবাব সইফ আলি খান পতৌদির মনে। এই হােটেলে সময় কাটাতে পারে, এমনটা মাসখানেক আগে যখন নিজের ছেলে চুক্তিতেই লেখা ছিল। শর্মিলা ঠাকুরের জন্য তৈমুর আলি খানকে সেই সবুজ লনে খেলে বরাদ্দ ছিল প্যালেসের ভিতরের একটি বেড়াতে দেখেছিলেন, তখনই তাঁর মনে প্রশ্ন আরামদায়ক কটেজ। সইফ বলেন, যেহেতু জাগে, এবার নিজের পৈতৃক বাড়িতে ফিরলে এটা আমাদের পারিবারিক সম্পত্তি তাই কেমন হয়? যেমন ভাবা তেমন কাজ। ৮০০ কিনতে হয়নি।

- Advertisement -

তবে টাকার লেনদেন তাে কোটি টাকার বিনিময়ে নিজের প্যালেসের করতেই হয়েছে লিজের চুক্তি ভঙ্গের জন্য। দখল নিলেন তিনি। সইফ বলেন, কত টাকা আমি যখনই এই বাড়িতে এসেছি, মনে খরচ করলাম সেটা বড় ব্যাপার না। বড় হয়েছে যেন সত্যিই বাড়ি ফিরলাম। মাকেও ব্যাপার এটাই যে আবারও ফিরতে পারলাম। জিজ্ঞেক্স করায় মা বলেছিল তাঁর কটেজটাকেই যৌবনে আমার ওপর ভরসা রাখতেন না তাঁর নিজের বাড়ি বলে মনে হয়। যে বাড়িতে বাড়ির কেউই। বাবারও আস্থা ছিল না মা বিয়ের পর প্রথমবার এসেছিল বাবার হাত আমার ওপর। অনেকে তাে পিছনে বলতেন ধরে। এই অনুভূতিগুলােকে হালকা ছলে আমি স্পয়েল্ড ব্র্যাট। তবে যে প্যালেস নেওয়া যায় না। আমার বাবা, ঠাকুর্দা, ঠাকুমা একসময় আমার ঠাকুর্দা, ঠাকুমার জন্য এখানেই সমাধিস্থ। তাই তাঁদের কাছে ফেরার বানিয়েছিলেন, তা আবার ফিরিয়ে আনতে সময় মনে হওয়ায় করিনা আর তৈমুরের হাত পেরে মনে হচ্ছে বাবার চোখে যােগ্য হলাম। ধরে চলে এলাম।

পতৌদি প্যালেসের ইতিহাস

গুরগাঁও এ অবস্থিতপতৌদিপ্যালেস হরিয়ানার অন্যতম ৪০টা রয়েছে মােট ৪০টিঘর। যাঁরমধ্যে ১৫টি বেডরুম দ্রষ্টব্য স্থান। নবম পতৌদি নবাব ইব্রাহিম আলি খান এবং রয়্যাল বেডরুম ৭টি। বাগান, জঙ্গল, লেক, ছােট যখন ভােপালের বেগমকে বিয়ে করলেন, তখন তিনি টিলা, কটেজ মিলিয়ে আশপাশের কিছু জমিও তিতুলার তাঁর জন্য এক অপরূপ রাজপ্রাসাদ তৈরির কথা ভাবেন। নবাব বংশের। রয়্যাল ট্রফি রুম, পেইন্টিং রুম, পুল তিনি চেয়েছিলেন প্রাসাদটি তাঁর স্ত্রীর রূপের মতােই রুমের পাশাপাশি সইফের মিউজিক রুম রয়েছে। অমলিন হবে। তিনি নিজের বাবা অষ্টম পতৌদিনবাব লাইব্রেরিতে আজও সাজানাে ১০ হাজারেরও বেশি ইফতিখার আলি খান পতৌদির কাছেপরামর্শ চাওয়ায়, বই। ২০০৫ সালে নিমরানা গ্রুপের মালিক ফ্রান্সিস প্রাসাদটি নির্মাণের জন্য ইস্তিয়ার রবার্ট তাের রাসেলকে ওয়াকজিরাং এবং অমন নাথ যৌথভাবে মনসুর আলি আমন্ত্রণ জানান। ১৯৩৫ সালে রবার্ট নিজের সহকারী খান পতৌদির থেকে ১৭ বছরের জন্য লিজেপতৌদির অউ মােন্ত ভঁ হেজকে সঙ্গে নিয়ে পতৌদি পরিবারের প্যালেসটি নিয়েছিলেন নিজেদের হােটেল ব্যবসার গুরগাঁও এরশতাব্দী প্রাচীন ২৫ একর জমির ওপর তৈরি জন্য। ২০০৫-২০১৪ সাল পর্যন্ত দ্য পতৌদি প্যালেস করেন পতৌদি প্যালেস। এই প্রাসাদের আরেক নাম হােটেল হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে। সইফ সেটিকে দেওয়া হয় ইব্রাহিম কোঠি। দিল্লির নবাবি ইমারতের পুনরুদ্ধার করলেন এবার। সইফ বলেন, ফ্রান্সিস এবং আদলেই তৈরি করা হয় সুদৃশ্য এই মহল। যেখানে অমন বেশ যত্নেই রেখেছিল আমাদের বাড়িটিকে। ব্রিটিশ আর্কেটেকচারের প্রভাব স্পষ্ট। চেকার্ড ফ্লোর, উল্লেখ্য, এই প্রাসাদে শুট করা হয়েছে জুলিয়া রবার্টের দুধার দিয়ে বানানাে লম্বা সিঁড়ি, লম্বা করিডাের, ব্রিটিশ বিখ্যাত হলিউড ছবি ইট প্রে লাভ সহ মঙ্গল পাণ্ডে, বীর স্থাপত্যের গল্প বলে। আরেকদিকে দরজা জানলার আর্চ, জারা, গান্ধী মাই ফাদার এবং মেরে ব্রাদার কি দুলহানের প্রাসাদের গম্বুজে রয়েছে নবাবিয়ানার ছোঁয়া। প্রাসাদে মতাে জনপ্রিয় বলিউড ছবির।

Advertisement

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here