উফ কী গরম!
Part-83

0

Last Updated on September 12, 2023 11:32 PM by Khabar365Din

উফ কী গরম !

HOT BIKINI

এলি আভরাম

৩৬৫ দিন। বরাবরই ইনস্টাগ্রামে নিজের পোস্টে আগুন ছড়ান সুইডিশ অভিনেত্রী এলি আভরাম। ছুটি কাটানোর অবসরে* তোলা ছবি নিজেই শেয়ার করেন নিজের ইনস্টাগ্রামে।টপলেস বিকিনিতে মাঝেমধ্যেই দেখা যায় তাঁকে।পোশাকের সঙ্গে মানানসই গলার হার,হাতে ব্রেসলেট, আঙ্গুলে আংটি এবং চোখের আয়তনে বড় সানগ্লাসে এক অনন্য রূপসী লাগছে অভিনেত্রীকে। ২০১৩ সালে এলি তার কর্মজীবন শুরু করেছিলেন,উল্লেখিত উভয় সিনেমায় তার কাজের জন্য জনসাধারণ এবং সমালোচক উভয়ের কাছ থেকে দুর্দান্ত সুনাম কুড়োচ্ছেন তিনি।সুইডিশ-গ্রীক এই অভিনেত্রী নিজের লুকে বরাবরই নজর কেড়েছেন তিনি। কিস কিসকো প্যার করু-র দৌলতে এলি অভরাম এখন বেশ পরিচিত মুখ।সুইডিশ গ্রিক এই অভিনেত্রীর বলিউডে অভিনেত্রী হিসেবে ডেবিউ হয় ২০১৩-য় মুক্তি পাওয়া মিকি ভাইরাস ছবিতে।ছোটবেলা থেকেই নাচে পারদর্শী এলি অভরম ১৭ বছর বয়সে যোগ দেন পরদেশি ডান্স গ্রুপে।বলিউডের বেশকিছু গানে ডান্স পারফরম্যান্স রয়েছে তাঁর।কয়েকদিন আগে মুম্বাইতে আয়োজিত হয় এলি বিউটি অ্যাওয়ার্ড শো। যেখ ানে উপস্থিত নামিদামি তারকাদের মধ্যে দর্শকদের নজর কেড়েছেন বলিউড ডিভা এলি আভরাম। এলি আভরাম বলিউডের একজন সফল অভিনেত্রী পাশাপাশি একজন ভালো ড্যান্সার ও বটে। জাঁকজমকপূর্ণ এই পার্টিতে এলির পোশাকই সকলের সমালোচনার বিষয় হয়ে ওঠে।অনুষ্ঠানে, এলি লাল কার্পেটের উপর হাঁটার সময় তার জন্য একটি স্ট্র্যাপলেস গাউন বেছে নিয়েছিলেন যে পোশাকে তার বক্ষ বিভাজিকা একেবারে স্পষ্ট।তবে শুধু এওয়ার্ড শো নয় এমনিতেই যেকোনও ছবিতেই তিনি লাস্যময়ী।

HOT SPOT

কাবুকি থিয়েটার, জাপান

জাপান গেলে অবশ্যই টোকিও ও কিয়তোর কাবুকি থিয়েটার একবার হলেও দেখা উচিত। জমকালো মুখোশ, অভিনয়ে আকস্মিক আবেগ, কৌতুক ও হাস্যরসের সরব উপস্থিতি এবং আকর্ষণীয় নাচ ও কস্টিউম- এর সবক’টি জিনিসই উপস্থিত দর্শক ও শ্রোতাদের মুগ্ধ করে দিতে পারে।

৩৬৫ দিন। যারা নাটক, নাচ, গান, সর্বোপরি ভিস্যুয়াল ও পারফর্মিং আর্ট পছন্দ করেন, তাদের জন্য হরেক রকম আকর্ষণ সাজিয়ে রেখেছে জাপান। এই দেশ বিখ্যাত তাদের ঐতিহ্যবাহী কাবুকি গীতি ও নৃত্যনাট্যের জন্য। জাপান গেলে অবশ্যই টোকিও ও কিয়তোর কাবুকি থিয়েটার একবার হলেও দেখ * উচিত। জমকালো মুখোশ, অভিনয়ে আকস্মিক আবেগ, কৌতুক ও হাস্যরসের সরব উপস্থিতি এবং আকর্ষণীয় নাচ ও কস্টিউম- এর সবক’টি জিনিসই উপস্থিত দর্শক ও শ্রোতাদের মুগ্ধ করে দিতে পারে । মঞ্চের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অবিশ্বাস্য নাটকীয়তা আর রঙিন পোশাকে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের অসামান্য উপস্থিতি অনেক কিছু মনে করিয়ে দিতে পারে। অতীতের রাজা ও রাজবংশের গল্প, গ্রামের লোককথা, পারিবারিক কাহিনী, ভূত-প্রেতের উপদ্রব এমনকি নিছক হাস্যরস; এর সবই উপস্থাপনার গুণে অভাবনীয় ও সুন্দর হয়ে উঠবে। হ্যাঁ, এটা আর কিছু নয়, জাপানের ঐতিহ্যবাহী কাবুকি থিয়েটার। কাবুকি আসলে জাপানের এক ধরনের পারফর্মিং আর্ট। এর শুরু মূলত জাপানের লোকনৃত্য ও সঙ্গীতের হাত ধরে হয়েছিলো। শব্দটির আক্ষরিক অর্থই হচ্ছে ‘দক্ষতার সাথে নৃত্য পরিবেশন ও গান করা।’ কিন্তু পরবর্তীতে শুধু নাচ বা গানের মতো ছোট ক্ষেত্রে এটি বন্দী হয়ে থাকেনি। ধীরে ধীরে এর পরিধি বাড়তে বাড়তে মঞ্চের মতো বড় পরিসরে এর বিকাশ হয়েছিলো। ফলে এটি হয়ে উঠেছিলো জাপানের নিজস্ব সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। কাবুকি থিয়েটারের ইতিহাস এর মতোই বৈচিত্র্যময়। ধারণা করা হয়, আনুমানিক ১৬০৩ সালে কাবুকি থিয়েটারের উৎপত্তি। জাপান তখন তোকুগাওয়া শোগুন শাসকদের অধীনে ছিল। জাপানে সে যুগটি কিয়োটো থেকে সরিয়ে রাজধানী ইডো- অর্থাৎ আজকের টোকিয়োতে সরিয়ে আনার জন্য ‘ইডো পিরিয়ড’ নামে খ্যাত হয়ে আছে। কাবুকির প্রাথমিক পারফর্মেন্সে তখন শুধু নারীরা অংশ নিতো। নাচ, গান বা অভিনয়ের জন্য নারী বা পুরুষ চরিত্র যেটাই হোক- কস্টিউম ও মেকআপের বদৌলতে নারীরাই কাজ চালিয়ে দিতো। ধীরে ধীরে এর জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে। ১৬২৯ সালের দিকে কাবুকি জাপানি শোগুনদের রোষানলে পড়ে। ফলে নারীদের অভিনয় ও গানের কাবুকি নিষিদ্ধ হয়ে গেলো। সরকারের মনে হয়েছিলো, এ ধরনের বিনোদনের ফলে সমাজের উঁচু মহলে বিশৃঙ্খল অবস্থা দেখা দেবে। ১৬৭৩ সাল থেকে কাবুকি থিয়েটারের স্টাইলে বৈচিত্র্য আসতে শুরু করে। আগেকার সময়ের নিছক নাচ ও গানের প্রদর্শন থেকে

বেরিয়ে এসে কিছুটা নাটকীয়তার দিকে মোড় নেয়। এসময় অন্যান্য আরো কিছু বিনোদন মাধ্যমের প্রভাব কাবুকির উপর পড়তে থাকে। এর মধ্যে জাপানের ঐতিহ্যবাহী পুতুল নাচের অনুষ্ঠান ‘বুনরাকু’ কাবুকির উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। কাবুকি থিয়েটারও এই পুতুলনাচের বিকাশে সহায়ক ছিলো। ১৮৪০ সালের দিকে অগ্নিকাণ্ডের কারণে কাবুকি থিয়েটারগুলো ইডোর উত্তরদিকে আসাকুসা এলাকায় সরিয়ে নেওয়া হয়। এই সময়কে কাবুকির স্বর্ণযুগ বলা হয়। আসাকুসা অঞ্চলের সারুয়াকা মাচি এলাকা কাবুকি থিয়েটেরের নতুন যুগের ঠিকানা হয়ে দাঁড়ায়।কাবুকি থিয়েটারের মঞ্চের গঠন বেশ অভিনব। সাধারণ বড় চারকোণা মঞ্চের সাথে দর্শক সারির মাঝখানে পথের মতো লম্বা জায়গা যুক্ত থাকে। এ ব্যবস্থাকে ‘হানামিচি’ বলা হয়। ইউরোপ বা আমেরিকার আধুনিক থিয়েটারে এমন অকল্পনীয় ব্যাপার ভাবাই যায় না। মঞ্চের এমন অবস্থান নাটকের ভেতর হঠাৎ কোনো চরিত্রের আবির্ভাব, আকস্মিক দৃশ্যের অবতারণা ও চমক দেওয়া সংলাপের সবচেয়ে কার্যকর আমেজ তৈরিতে ব্যবহার করা যায়। এছাড়া ‘কেরেন’ নামের একধরনের চোরা দরজার ব্যবহার প্রচলন ছিল। এখনকার কাবুকি থিয়েটারে রিভলভিং স্টেজও ব্যবহৃত হয়। একে ‘মাওয়ারি বুতাই’ বলা হয় ।

HOT FOOD

ওনিগিরি

৩৬৫দিন। ওনিগিরি হল জাপানি রাইস বল। যা ত্রিকোণ আকার নরি অর্থাৎ এক ধরনের সামুদ্রিক শৈবালের এর পাতলা প্রলেপ মোড়ানো থাকে। নুন দিয়ে এগুলিকে হালকাভাবে রোল করা যেতে পারে কিংবা বিভিন্ন ধরণের ফিলিং যুক্ত করেও এটি খাওয়া যায়। বহু মানুষই ওনিগিরি এর সঙ্গে সুশিকে গুলিয়ে ফেলে । কিন্তু ওনিগিরি এবং সুশির মধ্যে একটি মূল পার্থক্য হল যে ওনিগিরি প্লেইন স্টিম করা চালের দিয়ে তৈরি হয় আর যখন সুশি তৈরি হয় সুশি রাইস তখন ভিনেগার, নুন এবং চিনি দিয়ে সিদ্ধ করা হয় ভাত। ওনিগিরি কোকুহো রোজ রাইস বা অন্যান্য সুশি চালের মতো জাপানি চাল, জল,নুন, রোস্টেড সামুদ্রিক শৈবাল (নোরি) বা ওনিগিরি মোড়ক, পছন্দের ফিলিং, গার্নিশের জন্য তিল, মাছের ডিম এবং স্ক্যালিয়ন। ওনিগিরিকে কখনও কখনও ওমুসুবি বলা হয় আবার জাপানি চালের বল ও বলা হয়। এগুলিকে জাপানিদের জাদুকরী খাবারও বলা হয়। ওনিগিরি জাপানিদের দৈনন্দিন জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি খাবার যে কারণে এটি জাপানে খুবই জনপ্রিয় । টিফিন হোক কিংবা বিকেলের স্ন্যাকস সবেতে এই খাবারটি খাওয়া যায়।