বয়েস বাড়িয়ে ফাঁসি হল ক্ষুদিরামের

0

Last Updated on August 11, 2022 9:14 PM by Khabar365Din

- Advertisement -

৩৬৫ দিন। জল্লাদকে তরুণ বিপ্লবী মৃদু হেসে প্রশ্ন করে, ফাঁসির দড়িতে মোম দেওয়া হয় কেন?’ আইনজীবী সতীশ চন্দ্র চক্রবর্তী সাক্ষী হিসাবে ভারতের পক্ষ থেকে ছিলেন সেখানে,তিনি লিখছেন,ব্রিটিশ ম্যাজিস্ট্রেট ফাঁসির আসামীর শেষ ইচ্ছে জানতে চাইলে, উচ্ছল বিপ্লবী জবাব দেয় – আমার বয়সীদের বোমা বাঁধতে শেখাতে চাই।

ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনকে ত্বরান্বিত করা অন্যতম ঐতিহাসিক ঘটনা ছিল এট। ১৯০৮ সালে আজকের দিনে বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর ফাঁসি হয়। বিহারের মুজফ্ফরপুরে ইওরোপিয়ান ক্লাবের সামনে বিপ্লবী প্রফুল্ল চাকির সঙ্গে বোমা ছুড়ে হত্যা করতে গিয়েছিলেন অত্যাচারী ব্রিটিশ বিচারক ম্যাজিস্ট্রেট কিংসফোর্ড সাহেবকে।

কিন্তু, দুর্ভাগ্যবশত যে গাড়িটিতে তাঁরা বোমা ছুড়েছিলেন তাতে ছিলেন না কিংসফোর্ড। বদলে দুই ইংরেজ মহিলার মৃত্যু হয়। প্রফুল্ল চাকী আত্মহত্যা করেন ও ক্ষুদিরাম ধরা পড়েন। ১৭ বছর ৩ মাসের(আসল বয়স, ফাঁসির জন্য বয়েস বাড়ানো হয়) ক্ষুদিরাম বসুর ফাঁসিকে দুর্দান্তভাবে ব্যবহার করে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামীরা।

তৎকালীন সব ভাষার সংবাদপত্রে, গানে, কবিতায়, প্রতিবাদে, মিছিলে ক্ষুদিরামের ফাঁসি ছিল একমাত্র রাজনৈতিক অস্ত্র ও মূলধন। এতে অনুপ্রাণিত হয় অসংখ্য যুবক, ব্রিটিশদের প্রতি আসে ঘৃনা, একই সঙ্গে আন্দোলন এগিয়ে যায়। একমাত্র ভগৎ সিং বাদে অন্য কোনও মৃত্যুদণ্ড নিয়ে এত হইচই হয়নি।

Advertisement

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here