শেখ হাসিনার ভারত সফর : মোদির সঙ্গে রাজনীতি,বাণিজ্য – রূপসা রেলসেতু, মংলা বন্দরে এই বাংলার লাভের সম্ভাবনা

0

Last Updated on September 7, 2022 5:15 PM by Khabar365Din

- Advertisement -

গৌতম লাহিড়ী। খবর ৩৬৫ দিন। নয়াদিল্লি।

আভ্যন্তরীণ রাজনীতির বাধ্যবাধকতা উপেক্ষা করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যৌথ উন্নয়নের যাত্রায় সহমত হলেন। হায়দ্রাবাদ হাউসের প্রথমে মোদি-হাসিনা একান্ত, পরে প্রতিনিধিদল সমেত বৈঠক উভয় দেশ এক দীর্ঘমেয়াদী সমঝোতার রূপরেখা তৈরি করলেন.। একই সংগে শিল্পপতি গৌতম আদানির সংগে দেড়ঘন্টা ব্যাপী বৈঠকে বাংলাদেশে বিদ্যুত সরবরাহ এবং লগ্নির এক বিশাল সম্ভবানা তৈরি হয়েছে।

উল্লেখ করার মতো বিষয় – বাংলাদেশ আগামী বছরে সাধারণ নির্বাচনের মুখোমুখি হবে। তার পরেই ভারতের নির্বাচন। উভয় দেশেই জঙ্গী ও মৌলোবাদী সংগঠনরা সকরিও। প্রধানমন্ত্রী মোদী নিজেই বললেন,“ মুকতিযুদ্ধের সময় থেকে আমাদের যে মৈত্রী স্থাপন হয়েছে সেটা এদের চক্ষুশূল. । এই সব শকতির বিরূদ্ধে আমাদের যৌথভাবে মোকাবিলা করতে হবে। ” নিঃসন্দেহে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে স্বস্তির বিষয় – ভারত অন্তত মুকতিযুদ্ধ বিরোধি শকতির সংগে নেই ।

এই প্রথম গঙ্গা চুকতির পর আসামের বরাক নদী থেকে উৎপত্তি বাংলাদেশের কুশিয়াড়া নদীর জল বন্টন নিয়ে সমঝোতা হলো। দুটি দেশই এই নদীর জল চাষের কাজে ব্যবহার করবে। যদিও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরো একবার তিস্তা নদীর জল বন্টনের দাবি তুলে দিয়েছেন। রামপাল বিদ্যুত কেন্দ্র উদ্বোধন দুই দেশের মৈত্রীর প্রতীক হয়ে রইলো। দুই দেশ যৌথভাবে গড়ে তুলেছে ১৩২০ মেগাওয়াটের সুপার থার্মাল বিদ্যুত কেন্দ্র। উদ্বোধন হলো রূপসা নদীর উপরে রেল সেতু। এই সেতু খুলনা থেকে মংলা বন্দর যোগ করে দেবে। ভবিষ্যতে পশ্চিমবঙ্গ যুকতো হওয়ার সম্ভাবনা। যাতে কেবলমাত্র যাত্রী নয়, পণ্য পরিবহণ হবে কম সময়ে। লাভবান হবে ভারত ও বাংলাদেশ। দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দ্বার খুলে দেবে এই সাড়ে পাঁচ কিমি রেল সেতু।

উভয় দেশকে যদি আর্থিক দিক থেকে উন্নত হতে হয়, তাহলে আর্থিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী মোদী ভারতের বাজার বাংলাদেশি পণ্যের জন্য উন্মুকতো করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করনে। বাংলাদেশ যেহেতু স্বল্প উন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের স্তরে উন্নীত হবে তাই নতুন সুসংহত আর্থিক চুকতি নিয়ে আলোচনা হয়। এই চুকতি স্বাক্ষরিত হলে বাংলাদেশের রপ্তানি প্রায় দুশো শতংশ বেড়ে যাবে এবং বিকাশ দর বাড়বে দুই শতাংশ।

আদানি গোষ্ঠী ঝাড়খন্ডে একটি বিদ্যুতসকেন্দ্র নির্মাণ করছে। সেই কেন্দ্র থেকে বিদ্যুত কেবলমাত্র বাংলাদেশেকেই দেওয়া হবে। মোদী হাসিনার বৈঠকের উপলদ্ধি একে অপরকে বাদ দিয়ে উন্নত হওয়া সম্ভব নয়। এটাই রাজনৈতিক নির্যাস। শেখ হাসিনা রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়ের সংগে দেখা করেন।

Advertisement

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here