শুভেন্দুর দেহরক্ষীর খুনের মামলায় নাম জড়ালো শুভেন্দু এবং রাখালের

0

Last Updated on July 9, 2021 4:11 PM by Khabar365Din

৩৬৫ দিন। রীতিমতো বেকায়দায় ভাজপা নেতা শুভেন্দু অধিকারী। বছর তিনেক আগে শুভেন্দু অধিকারীর দেহরক্ষীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় শুভেন্দু অধিকারী এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ রাখাল বেরার ভূমিকা নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে থানায় এফআইআর দায়ের করলেন নিহতের স্ত্রী। শুভেন্দু অধিকারীর নিরাপত্তারক্ষী থাকাকালীন গুলিবিদ্ধ হন শুভব্রত চক্রবর্তী। ১৪ অক্টোবর কলকাতার হাসপাতালে মৃত্যু হয় শুভব্রতর। সেই ঘটনায় এবার নতুন করে এফআইআর দায়ের করলেন শুভব্রতর স্ত্রী সুপর্ণা কাঞ্জিলাল চক্রবর্তী। তাঁর অভিযোগ, যে সময় শুভব্রত চক্রবর্তী গুলিবিদ্ধ হন, তখন প্রভাবশালী মন্ত্রী ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। একজন মন্ত্রীর নিরাপত্তারক্ষী থাকাকালীন কীভাবে শুভব্রত গুলিবিদ্ধ হলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাঁর স্ত্রী। এমনকী হাসপাতালে নিয়ে যেতে কেন দেরি হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। এফআইআর-এ ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ পত্রে নাম রয়েছে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও তাঁর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত রাখাল বেরার। নিহতের স্ত্রীর আরও অভিযোগ, চলতি বছরের ২১ মে বেশ কয়েকজন এসে তাঁকে ভয় দেখিয়ে যায়। শুভব্রতর মৃত্যু নিয়ে কোন জায়গা থেকে ফোন এসেছিল কিনা, অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা সেই বিষয়টিও জানতে চান বলে অভিযোগ। এদিকে তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে দাদা শুভেন্দুর নামে খুনে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ সামনে আসার পরেই শুক্রবার কাঁথি থানার আইসির সাথে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করলেন ভাই তমলুকের সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। থানায় ১টা ১৫ মিনিটে ঢুকেন।আর বের হন ১টা ৩৬ মিনিটে।অন্যদিকে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে মারাত্মক এই অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন বলে আজ বিধানসভায় দাবি তোলেন মহিষাদলের বিধায়ক তিলক চক্রবর্তী। তিনি বলেন, তৎকালীন পরিবহনমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সিকিউরিটি তার সার্ভিস রিভলবার দিয়ে গুলি করে আত্মহত্যা করেন বলে অভিযোগ উঠেছিল। পরেরদিন অ্যাপোলো হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে বলা হয় আত্মহত্যা হলেও হতে পারে। কিন্তু এরপরই সমস্ত তদন্ত ধামাচাপা পড়ে যায় বলে অভিযোগ। অভিযোগ পরিবারকে শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন কেন তার সিকিউরিটি আত্মহত্যা করলো সবদিক তিনি খতিয়ে দেখবেন। সে সময় মন্ত্রীর ভয়ে তারা এই নিয়ে তদন্ত চাইতে পারেন নি ।তারা এখন চান তদন্ত করে সত্য উদঘাটিত হোক।তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ আজ সকালে টুইট করে লেখেন, দিলীপ ঘোষ বা তাঁদের কেন্দ্রীয় দল কি এই পরিবার ও মহিলাকে চেনেন? মহিলার স্বামী ছিলেন আপনাদের নেতার নিরাপত্তারক্ষী। অনুরোধ করছি, মহিলার আবেদন শুনুন। দেখুন, এখানেও সেই রাখাল বেরার নাম রয়েছে। আপনাদের বিরোধী দলনেতা এই বিধবার প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যেতে চাইছেন।

- Advertisement -
Advertisement

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here