ভবানীপুরে ভাজপার লাশের রাজনীতির বিরুদ্ধে মমতা, মরা কুকুর ফেললে গন্ধে খেতে পারবেন না

0
70

৩৬৫ দিন।‌ দলীয় কর্মীর মৃতদেহকে নক্কারজনক ভাবে ব্যবহার করে বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি ঘেরাওয়ের ভাজপার রাজনীতির চরম বিরোধিতা করে মমতা বললেন,

- Advertisement -

যেকোনো মৃত্যুই দুঃখজনক। ওদের একটা ছেলে মারা গিয়েছে। পরে সার্জারি হয়েছিল। সার্জারিতেই মারা যায়। তা বলে, তুমি আমার বাড়ির সামনে ডেড বডি নিয়ে চলে যাচ্ছ? আমার বাড়ির কাছে ডেড বডি নিয়ে ঢুকেছে কত বড় ক্ষমতা বুঝুন! একটা করে কান মুলে দিলে পালিয়ে যাবে। কোন ক্ষমতা নেই খালি বড় বড় কথা আর ভাষণ।

তোমার বাড়ির সামনে যদি পাঠিয়ে দিই একটা কুকুরের ডেড বডি। মেশিনারি আমার নেই ভেবেছে! পচা কুকুর তোমার বাড়ির সামনে ফেলে আসব। গন্ধে দশদিন খেতে পাবে না তুমি। বদমাইশি করতে চাইলে কী না করা যায়! এত পাশবিক এত দানবিক দল!

রাস্তায় যখন জল জমে থাকে দয়া করে ইলেকট্রিকের পোস্টে হাত দিতে যাবেন না। সেই সময় বিদ্যুৎ বন্ধ রাখলে খুব সুবিধা হয়। ইলেকট্রিক এর কোন সরঞ্জামে তখন হাত দেবেন না।

ভবানীপুরে প্রচারে এসেছেন গ্যাস মন্ত্রী ( হরদীপ সিং পুরি, কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী)। উনি ভবানীপুরে এসে কিভাবে এখানকার মানুষের কাছে ভোট চাইবেন? পেট্রোল-ডিজেলের দাম তো অগ্নিমূল্য। রান্নার গ্যাসের দাম এক হাজার ছুঁই ছুঁই।

বিজেপি শাসিত রাজ্যে কোন আইন আছে নাকি। কোন আইন নেই বিহার, উত্তর প্রদেশে। অসমে কি হচ্ছে? আজ তো দিল্লিতে আদালতের ভিতরে গুলি চলেছে। তিন জনের প্রাণ গেছে।

ওরা বলে, আমরা দুর্গাপুজা করতে দিই না। ‌সব মিথ্যে কথা। ১০ নভেম্বর পর্যন্ত ত্রিপুরায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। যাতে তৃণমূল কোনো মিছিল করতে না পারে। এইভাবে তৃণমূলকে আটকানো যায় না।

ভবানীপুর মানেই ভারতবর্ষ।

মেয়েরা আজকে অনেকেই এগিয়ে গিয়েছে। ইনস্টিটিউশন ডেলিভারির কথা যদি আপনাদের বলি সেটা একটা সামাজিক পরিকাঠামো। আমরা যখন ক্ষমতায় এসে ছিলাম তখন মাত্র ৬০ শতাংশ ছিল, আর এখন এটা প্রায় ৯৯ শতাংশ।

আমাদের ফোন পেগাসাসের মাধ্যমে ট্যাপ করা হয়েছে। আমাদের দল সব থেকে সৎ, সেই দলের নেতাদের বারবার ডাকছে ইডি সিবিআই।

বাচ্চারা স্কুলে যাচ্ছে। জামা আমরা দিচ্ছি। জুতো আমরা কিনে দিচ্ছি। বই আমরা দিচ্ছি। মিড ডে মিল দিচ্ছি। সবকিছু দিচ্ছি। যাতে পড়াশুনোর জন্য কাউকে হাহাকার করতে না হয়।

মেয়েরা আজকে অনেক এগিয়ে গিয়েছে। ইনস্টিটিউশন ডেলিভারির কথা যদি আপনাদেরকে বলি সেটা একটা সামাজিক পরিকাঠামো। আমরা যখন ক্ষমতায় এসেছিলাম সেটা ছিল মাত্র ৬০ শতাংশ। আর এখন সেটা প্রায় ৯৯ শতাংশ।

সুন্দরবনের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও গর্ভবতী মায়েদের আমরা নিয়ে আসি নৌকায় করে। আমরা ক্যাম্প করে দিই। সেই ক্যাম্পে বাচ্চা জন্মায়। তারপর তাঁকে বাচ্চা সমেত বাড়িতে পৌছে দেওয়া হয়।

বিজেপি নেতারা ডেলি প্যাসেঞ্জারি করত ভোটের সময়। এজেন্সি দিয়ে, অস্ত্র দিয়ে ভোট করেছে বিজেপি।

৩৪ বছর সিপিএম শাসন করেছে, কটা সিবিআই তলব করেছে? যে দল সবথেকে সৎ, সেই দলের নেতাদের বারবার ডাকা হচ্ছে।

আমাদের ফোন পেগাসাসের মাধ্যমে ট্যাপ করা হয়েছে। এরা করতে পারে না এমন কোনও কাজ নেই।

অসময়ে বাধ্য হয়ে নির্বাচন করতে হচ্ছে। আমায় ৬ মাসের মধ্যে বিধায়ক হতে হবে, তাই ভোট হচ্ছে।

রাজ্যে লোডশেডিং হয় না। কিন্তু বৃষ্টিতে জল জমলে বিদ্যুতের পোস্টে হাত দেবেন না।

রাজ্যের মানুষ স্বাস্থ্যসাথীর কার্ডের সুবিধা পাচ্ছেন। লক্ষ্ণীর ভাণ্ডারের সুবিধা পাচ্ছেন রাজ্যের মেয়েরা। দুয়ারে রেশন প্রকল্প চালু হয়ে গেছে।

করোনার টিকাকরণে বাংলা প্রথম। রাজ্যে সাড়ে ৫ কোটি টিকাকরণ হয়ে গেছে। কিন্তু বাংলার প্রয়োজন ১৪ কোটি ভ্যাকসিন।

ছোটদের টিকাকরণ নিয়েও চিন্তাভাবনা করছে সরকার। ভবানীপুর এলাকায় ১০০ শতাংশ টিকাকরণ হয়ে গেছে।

উত্তরপ্রদেশ থেকে কোভিডের মৃতদেহ ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে। মালদায় নদী থেকে শতাধিক দেহ তুলে সৎকার করেছে বাংলার প্রশাসন।

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা পাচ্ছেন রাজ্যের মেয়েরা। দুয়ারে রেশন প্রকল্প চালু হয়ে গেছে। আজ আমাদের ঘরের মেয়েরা স্কলারশিপ পায়।

Advertisement

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here