শাহকে ১০ গোল, আদিবাসী গ্রামে মমতা রাঁধলেন আলু বরবটি

0
19180

আদিবাসী পাড়ায় ঢুকে প্রতিটি অভাব-অভিযোগের সমাধান করলেন

- Advertisement -

৩৬৫ দিন। তিনি বাংলার ঘরের মেয়ে, ঘরের মেয়ের মতোই বোলপুরের বল্লভপুর ডাঙা আদিবাসী গ্রামে গিয়ে আদিবাসী ঘরে ঢুকে রান্নায় হাত দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। আদিবাসীদের অভাব-অভিযোগের কথা শুনে তৎক্ষণাৎ বোলপুরের জেলাশাসক বিজয় ভারতীকে নির্দেশ দিলেন প্রয়োজনীয় কাজগুলি সেরে নেওয়ার। আদিবাসীদের পাশে দাঁড়িয়ে, আলু বরবটি তরকারি রান্না করতে করতেই মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দিলেন, আমি আপনাদের ঘরের মেয়ে।
বুধবার সকালে বোলপুরের সোনাঝুরির পিছনে বল্লভপুরডাঙা আদিবাসী গ্রামে যান মুখ্যমন্ত্রী। সকালে তখন আদিবাসীর মহিলারা রান্নায় ব্যস্ত, মুখ্যমন্ত্রী এসে আদিবাসীদের ঘরে পৌঁছে যান। সেখানেই এক আদিবাসী বাবু বাগদির, রমা বাগদির রান্নার হোটেলে আলু বরবটি রান্না হচ্ছিল, মুখ্যমন্ত্রী এসে নিজে রান্নায় হাত লাগান। মুখ্যমন্ত্রীকে দেখে আপ্লুত হয়ে পড়েন আদিবাসী মহিলারা। খুন্তি নাড়তে নাড়তে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমি আপনাদের ঘরের মেয়ে। আমি রান্না করতে খুব ভালোবাসি, দু তিনবার হাত ভেঙে গিয়েছে বলে অসুবিধা হয়। এর পরেই তিনি আদিবাসী রমণীদের জিজ্ঞাসা করেন, আপনারা দুয়ারে সরকারের ক্যাম্পে গিয়েছেন তো? স্বাস্থ্য সাথীর কার্ড করিয়ে নিন, খুব কাজে লাগবে স্বাস্থ্য সাথীর কার্ড, বাড়ির মহিলাদের নামেই কার্ড হচ্ছে। সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন তো? তখন আদিবাসী মহিলারা, মুখ্যমন্ত্রীকে জানান, এখানে শৌচালয়ের কিছু সমস্যা আছে। তৎক্ষণাৎ মুখ্যমন্ত্রী, বোলপুরের জেলাশাসক বিজয় ভারতীকে প্রত্যেকের ঘরে শৌচালয় তৈরি করে দেওয়ার নির্দেশ দেন। পাকা বাড়ি করে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন জেলাশাসককে। রান্না শেষ করেই এক চায়ের দোকানে যান মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে চাও খান তিনি। এরপর জহর থানে গিয়ে প্রণাম করেন মুখ্যমন্ত্রী। দাদা বৌদির চায়ের দোকানের দাদা, বাবু বাগদি বলেন, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ঘরের মেয়ের মত আমার দোকানে এসে বসে, চা খেলেন, আমাদের সব কথা শুনেছেন, আমরা সব দিদির সঙ্গে আছি। দোকানে আলোর সমস্যা ছিল দীর্ঘদিন ধরে, মুখ্যমন্ত্রী দোকানের আলো ঠিক করে দেওয়ার নির্দেশ দেন। আদিবাসীদের সঙ্গে কথা বলে এরপর কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা হন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here