সামশেরগঞ্জ,জঙ্গিপুরে অভিষেকের হুংকার, ৫০০ নোটিস পাঠাল মাথা নত করব না, আমরা দরজা খুললে, বিজেপি দলটা উঠে যাবে

0
267

- Advertisement -

তৃণমূল দরজা খুলছে না বলে বাংলায় বিজেপি দলটা টিকে আছে না হলে সাংসদ বিধায়করা লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। বলেছিলাম, ভোটের পর খেলা শুরু হবে। আমরা দরজা খুলে দিলে বিজেপি দলটাই উঠে যাবে।

আগামী ৩ বছরের মধ্যে বিজেপিকে দিল্লি ছাড়া করব

বিজেপি গরুর দুধ দিয়ে সুনার বাংলা করতে গেছিল খেলা শেষ করে দিয়েছে বাংলার মানুষ। টাটা বাই বাই করে দিয়েছে। বহিরাগত নয় বাংলা নিজের মেয়েকে চায়।

কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী মমতা কি চাইছেন দেশের মানুষ বিজেপিকে সরাতে মমতা-ই মুখ। ভাঙা পা নিয়ে মমতা 213 আসনে জিতেছে।

ওদের এক সাংসদ তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। ওঁকে বলেছি পদত্যাগ করতে হবে। আমরা আদর্শ মেনে চলি। আসানসোলে ভোট হবে। তৃণমূল জিতবে।

কংগ্রেস মুখে বলছে বিজেপি বিরোধিতার কথা। কিন্তু কাজে তা করছে না। বরং বহিরাগত শক্তিকে সমর্থন করতে সিপিএমের হাত ধরে তৃণমূলের বিরোধিতা করেছে। অধীর চৌধুরী নিজে তৃণমূলের বিরুদ্ধে গোপন আঁতাঁত করেছেন। কংগ্রেস ব্লক প্রেসিডেন্টই বলছে। এসবের ফল কী হয়েছে? একেবারে শূন্যে নেমে গিয়েছে কংগ্রেস। ২০১৬ সাল থেকেই ওরা রাজনৈতিক নীতি-আদর্শ বিসর্জন দিয়ে অনৈতিক জোটে শামিল হয়েছে। এসব দেখে মইনুল হকের মতো নেতাও দলে থাকতে পারেননি। তিনি আমাদের সঙ্গে লড়াই করতে এসেছেন। দিল্লি থেকে বিজেপি সরকার উৎখাত করতে হলে যে তৃণমূলই একমাত্র মামলা, তা সবাই বুঝছেন।

যেখানে যেখানে বিজেপি ক্ষমতায় আছে সেখানে যাব। আমরা সেখানে গিয়ে বিজেপিকে হারাব। কংগ্রেস নাকি বিজেপিকে হারাবে? কংগ্রেস নেতাদের মাটিতে দেখা যায়? কংগ্রেস লড়াই করে বিজেপির কাছে হারছে। কংগ্রেস দিয়ে হবে না। তৃণমূল বিজেপিকে হারাচ্ছে। পার্থক্য এটাই। এবার তো ভারতবর্ষ জুড়ে খেলা হবে। গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ থেকেও মানুষ আসছে। বিজেপিকে উৎখাত করতে তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চায়।

বিকল্প হিসাবে তৃণমূলের আশেপাশে কেউ নেই। আচ্ছে দিনের নাম করে, সব বেসরকারিকরণ করা হচ্ছে। রান্নার গ্যাস, পেট্রোল-ডিজেলের দাম দেখুন। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম দেখুন। এই আচ্ছে দিনের নমুনা!

জঙ্গিপুর তো বটেই। এবার মুর্শিদাবাদে সবকটি লোকসভা কেন্দ্রেই তৃণমূলকে জিততে হবে। তবে তার আগে ৩০ তারিখ সকলে ঘাসফুল চিহ্নে ভোট দেবেন। ৩ তারিখ ব্যালট বাক্স খুললে যেন আপনাদের ভোট উপচে পড়ে।

রাজনৈতিক লড়াইয়ে আমাদের সঙ্গে পেরে ওঠে না। তখন এজেন্সি লেলিয়ে দেয় আমাদের ভয় দেখাতে। কিন্তু কোনও ভয় দেখিয়ে, ধমকে-চমকে আমাদের মাথা নত করা যাবে না। বরং আমরা আরও মাথা উঁচু করে দাঁড়াব।

রাজনৈতিকভাবে লড়াই করতে না পেরে কথায় কথায় ইডি সিবিআই দেখাচ্ছি সব ভয় পাইনা ৫০০ নোটিশ ধরালেও মাথা নত করব না মেরুদন্ড বিক্রি করব না। গায়ের জোরে বাংলা দখল করতে না পেরে রাজ্যের প্রবীণ রাজনীতিবিদের গ্রেফতার করেছে প্রাক্তন মুখ্য সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মূলক আচরণ করেছে। ওঁর অপরাধ ছিল প্রধানমন্ত্রীর ডাকা বৈঠকে না গিয়ে দীঘায় দুর্যোগে বিপর্যস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন।

বহিরাগতদের বাংলায় কোনও স্থান নেই। আগামী ৩ বছরের মধ্যে বহিরাগতদের উৎখাত করবই।

আমার ভয়ে ত্রিপুরায় বিজেপি ১৪৪ ধারা জারি করেছে। ত্রিপুরায় পুলিশ দিয়ে ভয় দেখাচ্ছে, কর্মসূচিতে বাধা দিচ্ছে। তবে এসব করে কোনও লাভ নেই। ত্রিপুরাও জিতব আমরাই। একমাত্র তৃণমূলই পারে বিজেপিকে হঠাতে। থরথর করে কাঁপছে। আমি ত্রিপুরা ঢুকবো। কতদিন ১৪৪ ধারা জারি রাখবে? ত্রিপুরায় তৃণমূল জিতবে।

মুর্শিদাবাদ থেকে ২৪ লক্ষ মানুষ দুয়ারে সরকারে নাম লিখিয়েছেন। দুয়ারে রেশনের পাইলট প্রজেক্ট চালু হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পরিবারের সমস্ত মহিলার হাতে মাসিক আয় তুলে দিয়েছেন। দুয়ারে ভাষণ নয়, দুয়ারে রেশন চেয়েছিলেন- তাই হবে, অতি শীঘ্রই। এটাই পার্থক্য বহিরাগত বনাম বাংলার মেয়ের প্রতিশ্রুতিতে। যা কথা দেওয়া হয়, তাই হচ্ছে। ডবল ইঞ্জিন সরকার মানে, এখানেও চুরি করবে, দিল্লিতেও চুরি করবে

ভোটের সময় অনেক কুৎসা হয়েছিল৷ টাকা ওড়ানো হয়েছিল৷ কিন্তু দিদি ভাঙা পা নিয়ে ২১৩ টি আসন জিতেছেন৷ বাংলা দিদিতেই আস্থা রেখেছে৷ কারণ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সারা বছর মানুষের পাশে থাকেন৷ বহিরাগতদের মতো ভোট এলেই আসেন না৷

উত্তর প্রদেশ সরকারের বিজ্ঞাপনে কলকাতার মা উড়ালপুল এর ছবি বাংলার উন্নয়ন চুরি করা হচ্ছে উত্তরপ্রদেশে উন্নয়ন হলে বাংলা থেকে চুরি কেন এই হল ডবল ইঞ্জিন সরকার ডবল ইঞ্জিন সরকার মানে চোরেদের সরকার মমতার সরকার সিঙ্গেল ইঞ্জিন সরকার এমন টেক অফ করেছে বিজেপির ঘুম উড়ে গেছে।

Advertisement

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here