মমতার মনোনয়নে অভিষেকই সাধারণ সম্পাদক, বিধাননগর, আসানসোল ও চন্দননগরে মেয়র কৃষ্ণ ,বিধান ,রাম

0

Last Updated on February 19, 2022 12:52 AM by Khabar365Din

৩৬৫ দিন।‌ অভিষেক (Abhishek Banerjee) আবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হলেন। শুক্রবার কালীঘাটে তৃণমূল নেত্রীর বাসভবনে, দলের জাতীয় কর্মসমিতির প্রথম বৈঠকে অভিষেকেই সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে বেছে নিয়েছেন দলনেত্রী। এছাড়াও মমতা সহ ২০ জনের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে পৃথকভাবে একাধিক নেতৃত্বকে পদাধিকার দেওয়া হয়েছে। তৃণমূল (Trinamool) সূত্রের খবর, এদিন কর্মসমিতির বৈঠকের আগে পৃথকভাবে তিনটি বৈঠক করেন দলনেত্রী। দলীয় সূত্রের খবর, দল গঠনে নতুনদের প্রয়োজন কিন্তু মনে রাখতে হবে ওল্ড ইজ গোল্ড, জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে‌ এই বার্তাই দিয়েছেন মমতা (Mamata Banerjee)। ‌দলীয় কর্মীদের বৈভব কমানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।‌ পুরনো ও নতুন নেতৃত্বের মধ্যে সমন্বয় সাধন করতে হবে বলে বৈঠকে উল্লেখ করেছেন দলনেত্রী। অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গ সফরে যাওয়ার আগে, শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেবের নাম ঘোষণা করেছিলেন মমতা নিজেই। এদিন বৈঠক শেষে বিধাননগরের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী, ডেপুটি মেয়র অনিতা মন্ডল এবং বিধাননগরের চেয়ারম্যান সব্যসাচী দত্তের নাম ঘোষণা করা হয়। চন্দননগরের মেয়র রাম চক্রবর্তীর নাম ঘোষণা করা হয় এবং আসানসোলের মেয়র বিধান উপাধ্যায়ের নাম ঘোষণা করা হয় দলের তরফে। একইসঙ্গে আসানসোলের ক্ষেত্রে দু’জন ডেপুটি মেয়র ওয়াসিমুল হক এবং অভিজিৎ ঘটকের নাম ঘোষণা করে তৃণমূল নেতৃত্ব। মমতাকে বাদ দিয়ে ২০ জনের জাতীয় কর্মসমিতির পদাধিকার হিসেবে তালিকায় রয়েছেন,

- Advertisement -

সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

সহ-সভাপতি
১. যশবন্ত সিনহা ২. সুব্রত বক্সী ৩. চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য

আর্থিক নীতি নির্ধারণ কমিটি
১. যশবন্ত সিনহা ২. অমিত মিত্র ও অন্যান্যরা।

কোষাধক্ষ্য
অরূপ বিশ্বাস।‌

সমন্বয়কারী
ফিরহাদ হাকিম। জাতীয় কর্মসমিতি এবং দলনেত্রীর মধ্যে সমন্বয় সাধনের কাজ করবেন তিনি।

জাতীয় মুখপাত্র
১. সুখেন্দু শেখর রায়, ২. কাকলী ঘোষ দস্তিদার, ৩. মহুয়া মৈত্র। রাজ্যসভা চলাকালীন জাতীয় মুখপাত্রের ভূমিকায় থাকবেন শুখেন্দু শেখর রায়, লোকসভা চলাকালীন জাতীয় মুখপাত্রের ভূমিকায় থাকবেন কাকলী ঘোষ দস্তিদার। মহুয়া মৈত্র, কাকলী ঘোষ দস্তিদার, সুখেন্দু শেখর রায়রা দিল্লিতে ব্রিফিং করবেন।

উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে সংগঠনের দায়িত্বে

১. সুস্মিতা দেব, মুকুল সাংমা, সুবল ভৌমিক। এছাড়াও বিভিন্ন রাজ্যের কনভেনার হিসেবে দলে পদাধিকার পেয়েছেন, মুকুল সাংমা (মেঘালয়), সুস্মিতা দেব (অসম), সুবল ভৌমিক (ত্রিপুরা), লুইজিনো ফেলেইরো (গোয়া), রাজেশ ত্রিপাঠী (ইউপি), অশোক তানোয়ার (হরিয়ানা), চার্লস পাইনগ্রোপ (শিলং)।‌

হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ
জাতীয় কর্মসমিতির সদস্যদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার জন্য একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ গঠন করা হবে। ‌

বিধান নগরের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী
বিধান নগর পুরোনিগমের মেয়র এর দৌড়ে কে এগিয়ে, কৃষ্ণা চক্রবর্তী না সব্যসাচী দত্ত তা নিয়ে চলছিল জল্পনা। শেষ পর্যন্ত সব জল্পনা গুজব উড়িয়ে মমতা বিধান নগরের মেয়র পদে মনোনীত করলেন কৃষ্ণা চক্রবর্তীকে। চেয়ারম্যান হলেন সব্যসাচী দত্ত। সূত্রের খবর এদিন কর্মসমিতির বৈঠকে, সবাইকে একসঙ্গে চলার বার্তা দিয়েছেন মমতা। প্রসঙ্গত, বহু দিনের সঙ্গী কৃষ্ণা চক্রবর্তী ওপরই আস্থা রেখেছেন মমতা। অন্যদিকে 2015 সালে সব্যসাচী দত্ত যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে। অনাস্থার চাপে বিধাননগরের মেয়র পদত্যাগ করতে হয়েছিল সব্যসাচীকে। এর পরেই কৃষ্ণা চক্রবর্তীকে মেয়রের আসনে বসানো হয়েছিল। বিধানসভা নির্বাচনের পর ভাজপা ছেড়ে তৃণমূলে নিজের দলে ফেরেন সব্যসাচী দত্ত। তবে শুক্রবার তৃণমূল জাতীয় কর্মসমিতির প্রথম বৈঠকে বিধাননগরের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয় কৃষ্ণা চক্রবর্তীর কাঁধেই। এদিন আসানসোল এবং চন্দননগর পৌর সভার মেয়র এর নাম চূড়ান্ত হয়। আসানসোলের মেয়র হন বিধান উপাধ্যায়। ডেপুটি মেয়র ও ওয়াসিমুল হক এবং অভিজিৎ ঘটক। চেয়ারম্যান অমরনাথ চট্টোপাধ্যায়। চন্দননগরের মেয়র হচ্ছেন রাম চক্রবর্তী।

Advertisement

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here