বিরসা মুন্ডার মূর্তি নয়
ভুল মূর্তিতে মালা দিলেন
আদিবাসীরা ক্ষিপ্ত

0

Last Updated on November 6, 2020 8:12 PM by Khabar365Din

৩৬৫ দিন। আদিবাসীদের কাছে বিরসা মুন্ডা ভগবান হিসেবে পূজিত হন। শুধুমাত্র ভােটের রাজনীতির কথা ভেবে আদিবাসী, দলিত এবং মতুয়া সমাজের ভগবানদের মালা দেওয়ার নামে ফটোশুট করার জন্য অমিত শাহের বাংলায় আসা কার্যত ব্যর্থ হয়ে গেল।বাংলার সংস্কৃতি না জেনে হঠাৎ করে বাংলার আদিবাসী সমাজ কে ভােট ব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করতে গিয়ে বিরসা মুন্ডার মূর্তির পরিবর্তে রাস্তার পাশে আদিবাসী যুবকের মূর্তিতে মালা দিয়ে সমগ্র আদিবাসী সমাজের মানুষের তীব্র প্রতিবাদের মুখে পড়ল বিজেপি। বাঁকুড়ার তৃণমূল নেতা শ্যামল সাঁতরা বলেন, দলিত মেরে দলিত প্রেম করা বিজেপি বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙে বীরসা প্রেম দেখাচ্ছে। কিন্তু অমিত শাহ যে আদিবাসীদের দেবতা শহীদ বীরসাকে চিনবেন না তাতে আশ্চর্যের কী আছে!পাশাপাশি তৃণমূলের সর্বভারতীয় মুখপাত্র ডেরেক ওখব্রায়েন বলেন, গুজরাতের জিমখানায় আপনি এক্সপার্ট হতে পারেন, কিন্তু বাংলায় নয়। বাংলায় আপনারা বহিরাগত তা আবার প্রমাণ হলাে বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের ঘণ্টা বাজতেই বাজতেই ভােট ব্যাংকের টানে বাংলায় ছুটে এসেছেন অমিত শাহ।

- Advertisement -

তবে নরেন্দ্র মােদি অথবা অমিত শাহরা বরাবর যেভাবে জাতপাতের ভিেিত ভােটব্যাঙ্ক বানানাের কাজ করে এসেছেন, অমিত শাহের এবারের বাংলার সফরেও তার কোন ব্যতিক্রম চোখে পড়লাে না। আজ তাইমতুয়া ভােটব্যাংকের সন্ধানে পুজো দিতে গেলেন বাগজোলা খালের পাশে মতুয়া মন্দিরে। দলিত এবং আদিবাসীদের চিরকাল অচ্ছুৎ করে রাখা সমাজের উচ্চবর্ণের হিন্দুদের নিয়ে তৈরি বিজেপি নেতারা তাে দলিত আদিবাসী ব্যটদের ছোঁয়া এড়িয়ে চলেন। কারন এরা অধিকাংশই সমাজে ব্রাহ্মণ্যবাদের শ্রেষ্ঠত্বের প্রচার করতেই ব্যস্ত থাকেন দিনরাত। আজও বিজেপি শাসিত গুজরাতে কারবা চৌথ পালন করতে পারেন না নিম্নবর্ণের হিন্দুরা। আজও দীপাবলিতে প্রকাশ্য রাস্তায় বাজি ফাটিয়ে আনন্দে মেতে ওঠার অধিকার নেইবিজেপিশাসিত উত্তরপ্রদেশের অধিকাংশ দলিত হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের। আবার সেই গুজরাত-উত্তরপ্রদেশের থেকে আসা বিজেপি নেতারা বাংলার মতুয়া সম্প্রদায়ের মন্দিরের রাস্তা ধােয়ামােছা করিয়ে কয়েক মিনিটের জন্য সেখানে পুজো দিয়ে ভােটব্যাংকের রাজনীতি করে যাচ্ছেন।অবশ্য ভােট কখনাে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মােদি দলিত সাফাই কর্মী খুঁজে খুঁজে মিডিয়াকে ডেকে তাদের পদসেবা করতেও বিন্দুমাত্র দ্বিধান্বিত হন না।

Advertisement

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here