‘খেলা হবে’ র ঐতিহাসিক তাৎপর্য বোঝে না ভাজপা,
‘৪৬ এর অশুভ দাঙ্গার স্মৃতি ফেরানোর চেষ্টা

0
571

৩৬৫ দিন। ১৬ অগাস্ট সরকারি উদ্যোগে রাজ্যের খেলা হবে দিবস পালিত হবে বলে ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু এই দিনটিকে দাঙ্গা ছড়ানোর দিন বলে দাবি করে পদ্মপালের কাছে ছুটে গিয়েছেন ভাজপা নেতা শুভেন্দু অধিকারী। স্বাধীনতার আগে ১৯৪৬ সালের দাঙ্গার মত এই দিনে বাংলায় দাঙ্গা হবে বলে অভিযোগ ভাজপার। যদিও ১৬ অগাস্ট দিনটিকে খেলা হবে দিবস বেছে নেওয়ার পিছনে বাঙালির প্রিয় খেলা ফুটবল সঙ্গে জড়িয়ে থাকা মর্মান্তিক স্মৃতির উদযাপন বলে আগেই প্রকাশ্যে ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। দিন কয়েক আগেই মমতা বলেন, ১৬ অগাস্ট খেলা দিবস হিসেবে পালন করব। কেন এই দিনটাকে বাছলাম? ক্রিকেটের একটা ঘটনা ঘটেছিল সাতের দশকে। একটা ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে অনেকে আহত হয়েছিল, মারাও গিয়েছিল। আগে কলকাতা ময়দানের অনেক ক্লাবে এই দিনটিকে পালন করত। এখন আর এটা পালন হয় না। অনেকেই ভুলে গিয়েছেন। আগামী দিনে খেলা হবে। সভ্যতা-সংস্কৃতিকে রক্ষা করতে খেলা প্রয়োজন। যাঁরা এটা নিয়ে অন্য মানে করেন তাঁরা খেলার মানেটাই বোঝেন না।

- Advertisement -

কি ঘটেছিল সেদিন

১৯৮০ সাল। দীর্ঘ নকশাল আন্দোলনের ভয়াবহতা কাটিয়ে সবে ছন্দে ফিরছে বাংলা। কলকাতার দুই ক্লাব- ইস্টবেঙ্গল আর মোহনবাগানের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তখন তুঙ্গে। এই আবহেই ১৬ আগস্ট ইডেন গার্ডেনসে দুই বড় ক্লাবের খেলা ঘিরে গ্যালারিতে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পরলেন দুই দলের সমর্থকরা। হুটোপাটির মধ্যে ইডেনের সরু গেট দিয়ে বেরোতে গিয়ে পদপিষ্ট হন দুই দলেরই অগুনতি সমর্থক। সেই ঘটনায় শেষমেশ প্রাণ হারান ১৬ জন তরুণ সমর্থক। সেই কালিমালিপ্ত ঘটনাকে স্মরণে রেখেই প্রতিবছর এই দিনটিকে ফুটবলপ্রেমী দিবস হিসাবে পালন করে আইএফএ।

Advertisement

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here