ভবানীপুরে মমতার জনসংযোগ

0
119

৩৬৫ দিন। সেই ২০১১ সাল, ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে জিতেই বাংলার প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন তিনি। তারপর থেকে ভবানীপুরেই ভোটে লড়ছেন মমতা।‌ এবার উপনির্বাচনেও তৃণমূলের প্রার্থী তিনি। সোমবার ভবানীপুরের বাসিন্দাদের প্রতি মমতার আবেদন, “আপনাদের আশীর্বাদ শুভেচ্ছা থেকে যেন বঞ্চিত না হই।” এদিন নবান্ন থেকে বেরিয়ে বাড়ি ফেরার পথে জনসংযোগ করেন মমতা। ‌ প্রথমে তিনি ভবানীপুরের ৭৭ নম্বর ওয়ার্ডে যান। সেখানে জনসংযোগ শেষ করে ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডে আসেন মমতা। সেই মুহূর্তে তখন তৃণমূলের স্ট্রীট কর্নার সভা চলছিল। ‌ মমতা মঞ্চে ওঠেন না, তার বদলে মঞ্চের নিচে থেকেই এলাকার লোকদের সঙ্গে কথা বলেন। ‌ মমতা বলেন, “এবার তো মিছিল করা বন্ধ। ‌এমনকি বাড়িতে ৪ জনের বেশি যাওয়া যাচ্ছে না, কোভিড প্রটোকল মেনে। ‌তাই গাড়ি নিয়ে যতটা যাওয়া যায়, টুকটাক ঘুরছি। ‌আমি এই রাস্তাদিয়ে প্রায়ই যাতায়াত করি। কাটোয়া পট্টি লেন সহ এই সমস্ত এলাকার একাধিক রাস্তা দিয়ে প্রায়ই যাতায়াত করি।যাতায়াতের পথে দেখলাম মিটিংটা হচ্ছে, তাই সকলকে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানাচ্ছি এবং আগাম শারদ শুভেচ্ছা জানিয়ে গেলাম। আপনাদের আশীর্বাদ শুভেচ্ছা থেকে যেন বঞ্চিত না হই।”

- Advertisement -

মৌসুমী ফুল নয়, ঘরের মেয়েকে রেকর্ড ভোটে জেতান, আবেদন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের

মমতা ভবানীপুরের ঘরের মেয়ে। ঘরের মেয়ে সবসময় ঘরের মানুষের পাশে থাকে। ঘরের মেয়ে মরশুমি ফুল নয়, যে মাঝেমধ্যে তাকে দেখতে পাওয়া যাবে। তাই মমতাকে ভবানীপুর উপনির্বাচনে রেকর্ড ভোটে জিতিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করুন, সোমবার ‌ ভবানীপুরের ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডের চালপট্টি এলাকায় মমতার হয়ে প্রচারে এ কথাই বললেন তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। শিল্পমন্ত্রীর সংযোজন, ” এখানেই তাঁকে একাধিকবার আক্রমণ করা হয়েছে। তবুও বরাবর ভবানীপুরের মানুষের পাশে থেকে একসময়ের বাম সন্ত্রাস এবং এখন ধর্মান্ধতা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন। তাই রেকর্ড ভোটে রাজ্যের কান্ডারীকে জেতান।

Advertisement

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here