হায়দরাবাদ থেকে টাকা দিয়ে একটা দল ধরে এনেছে
ওরা নেবে হিন্দু ভােট!
এরা নেবে সংখ্যালঘু !
আমি কি কাঁচকলা খাব?

0

Last Updated on December 17, 2020 12:12 AM by Khabar365Din

উত্তরবঙ্গে বিস্ফোরক মমতা


কটা গাের্খাল্যান্ড দিয়েছে বিজেপি সরকার

পাহাড়ে কেবল আমরাই পারব স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান

- Advertisement -

বিজেপি বলেছিল বন্ধ ৭ চা বাগান খুলে দেব

একটাও খােলেনি, ওদের প্রতিশ্রুতি মানেই ভাওতা

জয়দীপ সরকার। জলপাইগুড়ি।


৩৬৫ দিন। বিজেপির কাউন্টার পার্ট মিম থেকে শুরু করে পাহাড়বাসীকে বঞ্চনা, মঙ্গলবার আলিপুরদুয়ারের কর্মী সভা থেকে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এদিন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, গৌতম দেব সহ দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ও উদ্বেলিত জনতার উপস্থিতিতে মমতা যা বললেন,

■ পাহাড়ে একমাত্র আমরাই স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান (পার্মানেন্ট পলিটিকাল সলিউশন) করতে পারব। রাজ্য সরকার সেই সমস্যার সমাধান করবে।

৬ বছর ধরে বলছে গোর্খাল্যান্ড দিয়ে দেব। কতগুলো গোর্খাল্যান্ড দিয়েছে ওরাই জানে। পাহাড়ের ভাই বোনরা এখন বুঝতে পেরেছে, ওদের চিনতে পেরেছে। আমি পাহাড়বাসীকেই ধন্যবাদ জানাই।

■ হায়দ্রাবাদ থেকে টাকা দিয়ে একটি দলকে ধরে এনেছে ওরা। বিজেপি বাংলায় এসে হিন্দু ভোট দখল করবে আর আরেকটি দল মুসলিম ভোট নেবে। আমি কী কাঁচকলা খাব! এরা বিজেপির লোক সব। এই হায়দার আলীরা সব ওদের লোক।

বিজেপি এসে বলেছিল ৭টি চা বাগান খুলে দেবে। কেন্দ্র চা বাগান গুলিকে অধিগ্রহণ করবে বলেছিল। চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, আর প্রতিশ্রুতি মানেইতো ভাওতা। নির্বাচনের আগে চা বাগান নিয়ে নাকি নোটিফিকেশন করেছিল। আবার বলেছিল ২ কোটি চাকরিও দেবে, কিন্তু ২ লক্ষ চাকরিও দিতে পারেনি। ২০১৫ সালের নির্বাচনে ১৫ লক্ষ টাকা করে প্রত্যেকের একাউন্টে ঢুকবে বলেও বলেছিল, কিন্তু সে কি ঢুকেছে? ওরা শুধু মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেয় আর মিথ্যা কথা বলে।

■ ওদের উদ্দেশ্য গুজরাত বানিয়ে দেওয়া। আমরা বাংলাটাকে গুজরাত বানাতে দেব না। ওদের উদ্দেশ্য বাংলা মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া। আমরা বাংলার মেরুদন্ড ভাঙতে দেব না।

কোন মানুষ ভূমিহারা থাকবেনা। যেই জায়গাতে আছে তাদের সব রেকর্ড করে দেওয়া হয়েছে। পাট্টা পেতে দেরি হতে পারে কিন্তু বিজেপির এনআরসির গাট্টা খেতে হবে না।

■ আগে ৩৪ বছরের বাম সরকার ছিল একরকম। এখন বিজেপি উত্তরবঙ্গে বারবার আসছে আর প্রতিশ্রুতি দিয়ে গেছে। বিজেপি সবাইকে বলে চোর, কিন্তু বিজেপি থেকে বড় চোর আর কোথায় আছে। আসলে তারা নতুন ধর্ম তৈরি করতে চাইছে এ ধর্মের নামে অধর্ম। যেখানেই যায় বিভিন্ন ধর্মের মধ্যে দাঙ্গা লাগিয়ে দেয়, আগুন জ্বালিয়ে দেয়।

এদিন মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যে পুলিশের তিনটি ব্যাটেলিয়ান গঠন করছেন। এই প্রসঙ্গে বলেন, নারায়নী ব্যাটালিয়ন হেডকোয়ার্টার হবে কোচবিহারের মেখলিগঞ্জে। গোর্খা ব্যাটালিয়নের হেডকোয়ার্টার হবে নকশালবাড়ি ও জঙ্গলমোহল ব্যাটালিয়নের হেডকোয়ার্টার হবে ঝাড়গ্রামে। ৯. আমরা লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গ থেকে একটাও আসন পাইনি কেন? সাধারণ মানুষই কাছে জানতে চাই কি অপরাধ ছিল আমাদের? আমরা যা করবো, যা করে যাবো, কেউ করতে পারবে না এটা মনে রাখবেন।

■ দিল্লির সরকার ৪০ লক্ষ বেকার বাড়িয়ে দিয়েছে। আর আমরা বাংলায় ৪০ শতাংশ বেকারত্ব কমিয়ে দিয়েছি। ওরা রাজ্যে থেকে ট্যাক্স নিয়ে যাচ্ছে। আইনে আছে এই ট্যাক্সের ৪০ শতাংশ রাজ্যে কে দিতে হবে। কিন্তু তারা দিচ্ছে না। নির্বাচনের সময় তারা টাকা নিয়ে আসবে। টাকা দিলে নিয়ে নেবেন। এটা আপনাদেরই টাকা। আর ভোট বাক্সে উল্টে দেবেন। লোকসভায় ভোট দেননি কিন্তু বিধানসভায় আপনাদের আশীর্বাদ চাই।

তারা বহিরাগত গুন্ডা ঢুকিয়েছে। তারা বলে বেড়াচ্ছে ডিসেম্বর থেকে দেখবে। মেরে দেখুক…আমি ভালো তো ভাল।ধমকে চমকে কাজ হবে না। বাংলায় তৃণমূল জিতছে জিতবে।

Advertisement

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here