পাওয়ারের আবার ফোন মুখ্যমন্ত্রীকে বিরােধী কনক্লেভ করার প্রস্তাব

0

Last Updated on December 22, 2020 10:45 PM by Khabar365Din

৩৬৫ দিন। কলকাতা ও মুম্বই। মাস তিনেকের মধ্যেই বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে দেশের পাঁচ রাজ্যে। যার মধ্যে একমাত্র উত্তর-পূর্বের অসম ছাড়া কোনােটিতেই ক্ষমতায় নেই বিজেপি। এই পরিস্থিতিতে বিরােধী আঞ্চলিক দলগুলির হাতে থাকা রাজ্য গুলাের ক্ষমতা দখলের জন্য সর্বশক্তি নিয়ােগ করেছে বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দেশে বিজেপি বিরােধী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পরিচিত মমতার বাংলাকে প্রধান টার্গেট করেছে তারা। তাই বাংলার পাশাপাশি গােটা দেশ থেকেই বিজেপিকে প্রতিহত করতে ফের জোট বদ্ধ হচ্ছে দেশের সমস্ত অ-বিজেপি রাজনৈতিক দলগুলি। প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক থেকে মমতা সরকারের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি আক্রমণ বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই মমতার পাশে দাঁড়িয়েছেন পাঞ্জাব, ছত্রিশগড়, মহারাষ্ট্র এবং দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীরা। বিজেপির বিরুদ্ধে মমতার অবস্থানকে সমর্থন জানিয়েছেন তামিলনাড়ু এবং বিহারের প্রধান দুই বিরােধী নেতা এবং তেজস্বী যাদব।বারে আরও একধাপ এগিয়ে পর পর দু’দিন মমতাকে ফোন করলেন মহারাষ্ট্রে বিজেপিকে রুখে। দেওয়ার প্রধান কারিগর তথা এনসিপি সুপ্রিমমা শরদ পাওয়ার। রবিবারের পর সােমবারেও পাওয়ার মমতাকে ফোন করে আগামী মাসেই কলকাতায় দেশের সমস্ত ও বিজেপি রাজনৈতিক দলগুলাের নেতাদের নিয়ে পলিটিক্যাল কনক্লেভ আয়ােজন করার অনুরােধ করেন। পাওয়ারের ফোন প্রসঙ্গে এনসিপি-র মুখপাত্র নবাব মালিক বলেন, রাজ্যের উচ্চপদস্থ আইপিস অফিসারদের পাশাপাশি সরকারি কর্তাদের সরিয়ে নিয়ে এবং রাজ্যের ক্ষমতায় হস্তক্ষেপ করে বিজেপি কী ভাবে বাংলায় স্থিতাবস্থা নষ্ট করার চেষ্টা করছে তা নিয়ে দু’জনের আলােচনা হয়। দেশের বিজেপি-বিরােধী শিবিরের মুখদের একজোট করে মমতা-শরদ শীঘ্রই বৈঠকে বসতে পারেন বলেও জানিয়েছেন নবাব। নয়া কৃষি আইন-সহ নানা সংবিধান বদলে ফেলার ইস্যকে সামনে রেখে জানুয়ারিতে কলকাতায় বিরােধী শিবিরের নেতাদের নিয়ে জনসভার আয়ােজন করা হতে পারে। এনসিপি সূত্রে জানা গিয়েছে প্রাথমিকভাবে এই সভায় তাদের আমন্ত্রণ জানানাে হবে তা নিয়েও প্রাথমিক আলােচনা হয়েছে। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল, রাষ্ট্রীয় জনতা দল সুপ্রিমাে বিহারের প্রধান বিরােধী দলনেতা তেজস্বী যাদব, ডিমকে সুপ্রিমাে তথা তামিলনাড়ুর প্রধান বিরােধী দল নেতা এমকে স্ট্যালিন, রাহুল গান্ধি, ঝাড়খন্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সােরেন, এনসিপি সুপ্রিমাে শরদ পাওয়ার, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী তথা শিভ সেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরে, পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং, অন্ধ্রপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইড় এবং বাম। দলগুলাে কেউ সেই সঙ্গে আমন্ত্রণ জানানাে হবে।

- Advertisement -
Advertisement

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here