৩ বছর পর দার্জিলিঙে তুষারপাত,বরফের চাদরে ঢাকল ঘুম, সেন্ট পলস স্কুল

0

Last Updated on December 29, 2021 8:41 PM by Khabar365Din

৩৬৫ দিন। জয়দীপ সরকার। দার্জিলিং। বরফের চাদরে ঢাকলো শৈল শহর। তিন বছর বাদে আবার তুষারপাত হলো দার্জিলিংয়ে। দার্জিলিং পার্বত্য এলাকার সান্দাকফু, ফালুট, বিকেভঞ্জন, টুংলু এলাকায় গত কয়েকদিন ধরেই তুষারপাত হচ্ছিল। তুষারপাতের খবর পেয়ে পর্যটকরাও ছুটে যাচ্ছি পাহাড়ের দিকে। কিন্তু পাহাড়ের রানী দার্জিলিং শহরে তুষারপাত হবে ঘুণাক্ষরেও ভাবেনি পর্যটকরা। বুধবার মাঝরাতে হঠাৎ করেই শীতের দাপট বাড়তেই তুষারপাত শুরু হয় ঘুম স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় ও টাইগার হিলে। শৈত্যপ্রবাহ এতটাই নিচে নেমে এসেছে যার ফলে তুষারপাত। দার্জিলিং শহরে তেমনভাবে তুষারপাত না হলেও তুষারপাতের মতোই বৃষ্টি নেমে এসেছিল। এছাড়াও দার্জিলিং শহর থেকে কিছুটা বাইরে সেন্ট পলস স্কুলের রাস্তাতেও তুষারপাত হয়েছে। তুষারপাতের ফলে টয় ট্রেনের লাইন ঢেকে গিয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় পুরু বরফের চাদরে ঢেকে রয়েছে। জমা বরফের মধ্যে দিয়েই ছুটছে পাহাড়ের খেলনা ট্রেন। ঘুম এলাকায় রাস্তার উপর দাঁড়িয়ে থাকা গাড়িগুলো বরফে ঢেকে রয়েছে।

- Advertisement -

শেষবার ২০১৮ সালের ২৭ শে ডিসেম্বর দার্জিলিং এ তুষারপাত হয়েছিল। তিন বছর বাদে আবার তুষারপাত হয় খুশিতে আত্মহারা পর্যটকরা। এমন পর্যটন মৌসুমে পর্যটক-ভরা শৈল শহর যেন কোরোনা থেকে দূরে সরে প্রাণ ফিরে পেল। তুষারপাতের কারণে ঘুম টাইগার হিল মিরীকের সীমানা সহ সুখিয়াপোখ্রি এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কারণ তুষারপাতের কারণে জমা বরফ এর ফলে গাড়ির চাকা স্লিপ করছিল। তাই দার্জিলিং পুলিশের উদ্যোগে রাস্তার উপর থেকে বরফ সরানোর কাজ শুরু হয়েছে সকাল থেকে। এদিন পর্যটন ব্যবসায়ী সম্রাট সান্যাল জানিয়েছেন, গত কয়েকদিন ধরে সিকিমের বিভিন্ন জায়গায় তুষারপাত হচ্ছিল। এমনকি সান্দাকফু টংলু ফালুট এলাকায় কয়েক দিন তুষারপাত হয়েছে। সিকিমে তুষারপাতের জন্য ছাঙ্গু ও বাবা মন্দিরের রাস্তা বন্ধ করার কারণে পর্যটকরা চারদিকে ছুট ছিল। কিন্তু এদিন হঠাৎ করেই দার্জিলিং এ তুষারপাত হওয়ার কারণে পর্যটকরা নতুন বছরের উপহার পেয়েছে। শেষ পারার দার্জিলিঙে ২০১৮ সালের ২৭ শে নভেম্বর তুষারপাত হয়েছিল। তিন বছর বাদে আবারো তুষারপাত। তবে আবারো তুষারপাত হওয়ার সম্ভাবনা আছে বলেও তিনি জানান।

Advertisement

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here