Ganga Arati: গঙ্গা মূর্তির উন্মোচন করে বাজে কদমতলা ঘাটে গঙ্গা আরতির সূচনায় মুখ্যমন্ত্রী

0

Last Updated on March 2, 2023 9:05 PM by Khabar365Din

প্রতিদিন হবে আরতি, শীতকালে সন্ধ্যে ৬টা, আর গ্রীষ্মকালে সন্ধ্যে ৭টা থেকে হবে আরতি, ভাসানের সময়টুকু বন্ধ থাকবে গঙ্গা আরতি

৩৬৫ দিন। কলকাতার মানচিত্রে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হল। বৃহস্পতিবার কলকাতার গঙ্গা নদীর তীরে বাজে কদমতলা ঘাটে গঙ্গা মূর্তির উন্মোচন, সর্বোপরি গঙ্গা আরতির সূচনা করলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা। অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকেই মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করলেন, এখানে প্রতিদিন গঙ্গা আরতি হবে। শীতকালে সন্ধ্যে ৬টা, আর গ্রীষ্মকালে সন্ধ্যে ৭টা থেকে হবে আরতি। ভাসানের সময়টুকু শুধুমাত্র বন্ধ থাকবে আরতি। কারণ বাবুঘাটে অনেক ঠাকুর ভাসান হয়।একটা পদ্ধতির মধ্যে দিয়ে মঞ্চ (যেখানে আরতি হবে) গুলোকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে, আবার আরতির সময় নিয়ে আসা হবে। কারণ মানুষ অন্যান্য কাজেও গঙ্গায় আসে। দুই ধারে লোক বসে আরতি দেখতে পারে তার জন্য বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমাদের দেশে গঙ্গা নদী বয়ে চলে বিভিন্ন জায়গায়। গঙ্গা দেবীকে প্রণাম জানাই, যেন মা-মাটি-মানুষকে ভাল রাখেন।

প্রসঙ্গত, উত্তরপ্রদেশের কাশিতে গঙ্গা আরতি হয়ে থাকে। শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে কলকাতাতেও প্রতিদিন গঙ্গা আরতি হবে। সেই প্রসঙ্গ তুলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলায় অনেক কিছুই হয়েছে। গঙ্গা আরতি আমি কাশিতে গিয়ে দেখে এসেছিলাম। ওটা অনেক পুরনো, অনেকেই দেখতে চায়। আমি ববিকে (ফিরহাদ হাকিম) বলেছিলাম, এমন জায়গায় গঙ্গা আরতি হবে যেখানে মানুষ বসে আরতি দেখতে পাবে। উল্লেখ্য, বাজে কদমতলা ঘাটে প্রবেশ করেই বাঁদিকে গঙ্গা দেবীর মূর্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এদিন প্রথমেই মুখ্যমন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছে গঙ্গা দেবীর মূর্তির উদ্বোধন করেন। গঙ্গার তীরে ১১টি অস্থায়ী মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছে, যেখানে অসংখ্য পুরোহিত উপস্থিত ছিলেন। এরপর সূর্যাস্তের ঠিক পরেই গঙ্গা বন্দনার সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তারপরেই শুরু হয় গঙ্গা আরতি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলেন, বহু মানুষ চেয়েছিলেন, এখানে গঙ্গা আরতি হোক। বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ এখানে আসবেন আরতি দেখার জন্য। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ পাওয়ার পর আস্তে আস্তে এই ঘাটে আরতির ব্যবস্থা করা হয়েছে। একইসঙ্গে মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী বলেন, আমার বাড়ি লখনও।‌ প্রতি বছর বহু পুণ্যার্থী কলকাতায় আসেন। তাদের কাছে এটি বড় পাওনা। প্রসঙ্গত বাবুঘাটে ঢুকতেই বড় করে টানানো হয়েছে আরতি বন্দনা’র নেমপ্লেট। কলকাতা পুরসভার আলো বিভাগ সামগ্রিক এলাকাটিকে বিশেষ আলো দিয়ে সাজিয়ে তুলেছে। বাজে কদমতলা ঘাটে বাংলার ঐতিহ্যকে মাথায় রেখেই নির্মাণ করা হয়েছে গঙ্গা বন্দনার কর্মযজ্ঞ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here