মক্ষীরানি পরীমণি কান্ডে নতুন তথ্য,দুবাই লিঙ্কের প্রমাণ বাংলাদেশের সিটি ব্যাঙ্কের এমডি’র সঙ্গে বুর্জ খালিফায় সফর বাংলা ছবিতে হাওয়ালা হয়েছে

0
1017

খবর ৩৬৫ দিন ও বাংলাদেশ সংবাদসংস্থা যৌথভাবে


৩৬৫দিন। পরীমনি কাণ্ডে এবার সিআইডির স্ক্যানারে বাংলাদেশের সিটি ব্যাংকের এমডি মাসরুর আরেফিন। এই ব্যাংক কর্তার মাধ্যমেই হাওলার টাকা দুবাই থেকে টালিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিতে ঢুকেছিল বলে জানতে পেরেছেন বাংলাদেশের গোয়েন্দারা। কিন্তু বিদেশ থেকে বাংলা সিনেমা জগতের কাদের কাদের অ্যাকাউন্টে এই হাওলার মোটা টাকা এসেছিল এই ট্রেল খোঁজার চেষ্টা করছে পদ্মাপারের পুলিশ। বাংলাদেশের সিআইডির হেফাজতে থাকা পরীমনিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রতিদিনই একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে। সূত্রের খবর, পরিমনির সঙ্গ পেতে সাড়ে ৩ কোটি টাকার বিলাসবহুল মার্সিডিজ গাড়ি উপহার দিয়েছিলেন সিটি ব্যাংকের এই এমডি। শুধু তাই নয়, করোনা দাপটে গোটা পৃথিবী জুড়ে যখন লকডাউন চলছে, তখন মাসরুর আরেফিনের সঙ্গে প্রাইভেট প্লেনে চড়ে দুবাইয়ের বুর্জ খালিফায় ছুটি কাটাতে গেছিলেন বাংলাদেশের এই হট নায়িকা। সেই সময়েই ঢাকা ঘনিষ্ঠ টালিগঞ্জের কয়েকজননের কাছে হাওলার টাকা ঢোকে । যার পিছনে ছিল মাসরুর আরেফিন। যদিও, সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এই ব্যাংক কর্তা । কিন্তু গোয়েন্দারা মনে করছেন, বড়লোক প্রভাবশালী ক্লায়েন্ট ধরে তাদের মাধ্যমে হাওলায় দেশের টাকা বিদেশে পাঠাতো পরীমনি। দেশের নামিদামি ব্যাংকের এমডি কিংবা চেয়ারম্যানরা পরিমনির ক্লায়েন্ট লিস্টে থাকায় সহজেই মিডিল ইস্টের দেশগুলিতে কালো টাকা পাঠিয়ে দিতে সুবিধা হত। আর সেখান থেকেই ভারতের মতো দেশে টাকা ঢোকানো হত। তাই সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের টার্গেট করতেন পরিমনি। এদিকে ইন্ডাস্ট্রিতে পরিমনির গডফাদার হিসেবে পরিচিত প্রযোজক রাজের বনানীর বাসায় তল্লাশি চালায় সিআইডি। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে রাজের হ্যারিয়ার ও আরভি মডেলের ২ টি গাড়ি। বাংলাদেশ সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি ওমর ফারুক জানান, এই রাজের মাধ্যমেই পরিমনির বাড়িতে মদ সাপ্লাই হত। পরিমনির বাড়িতে রেভ পার্টির আয়োজনের দায়িত্ব ছিল রাজের। পরীমনির লিংক ম্যান হিসেবে কাজ করত।এছাড়াও বিভিন্ন উঠতি মডেলদের দিয়ে ব্যবসায়ীদের ব্ল্যাকমেইলিং করে মোটা টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে রাজের বিরুদ্ধে।

Advertisement

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here