সংক্রমণ বাড়তেই ওষুধের দোকানে বাড়ছে ভিড়

0

৩৬৫ দিন। আবারও বাড়ছে প্যারাসিটামল, এন৯৫ মাস্কের চাহিদা। সংক্রমণ বাড়তেই ওষুধের দোকানে বাড়ছে ভিড়। বিক্রেতা রাজীব কর জানাচ্ছেন, আগের থেকে ওষুধের চাহিদা বেড়েছে ঠিকই। বিশেষ করে জ্বরের ওষুধ। তবে, সেটা এখনও মাত্রারিক্ত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। মানুষ প্রয়োজনের তুলনায় কিছুটা বাড়িয়ে কিনছেন ওষুধ।

- Advertisement -

কিন্তু, এটা আতঙ্কের কেনাবেচা নয়। তিনি আরও জানান, গত কয়েকমাস আগে ওমিক্রিন আসার সময় মানুষ হুড়মুড়িয়ে ওষুধ কিনেছেন। ফলে, অন্যজন পাননি। একটা সংকট তৈরি হয়। কিন্তু, এবার সেই তুলনায় কিছুটা কোন। আরেক বিক্রেতা জানাচ্ছেন, মাস্কের চাহিদা আগের তুলনায় কিছুটা বেশি। মাঝখানে চাহিদা ছিল একেবারেই তলানিতে। সেই তুলনায় এখন ভালই বিক্রি হচ্ছে। প্রায় দ্বিগুণ পরিমাণে বিক্রি।

অন্যদিকে, রাজ্যে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পেরোল দু হাজার। গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত ২৩০০ এর বেশি। উল্লেখ্য, তৃতীয় ঢেউয়ের শুরুতে জ্বরের ওষুধ, মাস্ক, কাফ সিরাপ, অ্যান্টিজেন টেস্ট কিট মজুতের হিড়িক পড়েছিল। ঝঞ্ঝাট এড়াতে মানুষ ঝুঁকছে অ্যান্টিজেন পরীক্ষাতে। এক দোকানি জানান, এখন নমুনা পরীক্ষায় অনেক নিয়ম কানুন করা হয়েছে। সকলে চাইলেই করতে পারছেন না।

কিন্তু, এই কিটে খুব সহজেই বাড়িতে যে কেউ পরীক্ষা করে জেনে নিতে পারবেন। রেজাল্টও জানা যায় মাত্র কয়েক মিনিটে। স্বাভাবিকভাবেই চাহিদা বেড়েছে। একইসঙ্গে, সেই সময় কাশির সিরাপ কেনার হুজুগও বেড়ে যায়। এক ক্রেতার কথায়, করোনাতে জ্বরের সঙ্গে সর্দি এবং কাশি থাকছেই।

বিশেষ করে কাশি থাকছে একটানা। ফলে, এই সিরাপ তো লাগবেই। কিনে নিচ্ছি বাড়ির সকলের জন্যেই। এক বিক্রেতা জানান, কিছুদিন আগে জ্বরের ওষুধ নিয়ে হুড়োহুড়ি হচ্ছিল। এখন হচ্ছে কাশির সিরাপ নিয়ে।

Advertisement

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here