বইমেলা উদ্বোধনে মুখ্যমন্ত্রী, সেন্ট্রাল পার্কের নাম বদলে হল বইমেলা প্রাঙ্গণ, মুখ্যমন্ত্রী জানালেন- ‘আমি বিশ্ব শান্তির পক্ষে’

0

Last Updated on February 28, 2022 11:13 PM by Khabar365Din

৩৬৫ দিন। গিল্ড কর্তৃপক্ষ তাদের ইচ্ছার কথা মুখ্যমন্ত্রীর সামনে বলে ফেলেছিলেন, করুণাময়ী (Karunamoyee) এর সেন্ট্রাল পার্ক (Central Park) মেলা প্রাঙ্গণ হোক স্থায়ী বইমেলা প্রাঙ্গণ। গিল্ড কর্তৃপক্ষের আবেদনকে স্বীকৃতি দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। ৪৫ তম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলার (45th International Kolkata Book Fair) মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা করলেন, সেন্ট্রাল পার্ক এখন থেকে আন্তর্জাতিক বইমেলা প্রাঙ্গণ হিসেবে স্বীকৃতি পাবে। এখানেই হবে আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলা। মিলন মেলা প্রাঙ্গন তৈরি হয়ে গেলেও, বইমেলা কর্তৃপক্ষের দাবিকে স্বীকৃতি দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee), পাশাপাশি দুই বাংলার শীর্ষ ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতিতে বিশ্ব শান্তির কথাই তুলে ধরলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।

- Advertisement -

মাঝে এক বছর বইমেলা হতে পারেনি কোভিডের কারণে। এবারের ফোকাল থিম বাংলাদেশ। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বই মেলায় প্রবেশ করে প্রথমেই জাগো বাংলার চলে যান, রাজ্য পুলিশের স্টলেও যান মুখ্যমন্ত্রী। তারপর একে একে তথ্য সংস্কৃতি দফতর সহ একাধিক স্টলে যান তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মন্ত্রিসভার প্রায় সকল সদস্য উপস্থিত ছিলেন। কলকাতা পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকেরাও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন। বক্তব্য পরিবেশনের পরে প্রথা মেনে শুরু হয় ৪৫ তম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলা।বাংলাদেশের বিশিষ্ট লেখিকা সেলিনা হোসেন, বাংলাদেশের সাংসদ কে এম খালিদ, এপার বাংলার বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়‌ সহ গ্যালাক্সি অফ স্টারটসদের উপস্থিতিতে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী যা বললেন,

এত বই, আমি বইমেলা না বলে বলি, বই বেলা। আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস, আপনারা ওপার বাংলায় যেভাবে করেন, আমরাও এখানে একই রকম শ্রদ্ধা দিয়ে করি। এত লেখা, এত কলম, এ হল বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্য। আমরা মার্চ এপ্রিল এর মধ্যে মিলন মেলা প্রাঙ্গণ সম্পূর্ণ করে ফেলব। ওটা আন্তর্জাতিক মানের একটা পার্মানেন্ট জায়গা হবে, যেখানে মেলা মিটিং-মিছিল সব হবে। কিন্তু এই মাঠটি(সেন্ট্রাল পার্ক) আপনাদের যখন বেশি পছন্দ, তখন সেই স্বাধীনতায় আমাদের হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়। এই জায়গাটার নাম হবে, বইমেলা প্রাঙ্গণ। এই বইমেলা প্রাঙ্গণ একটি গন্তব্য হয়ে থাকবে, যেখানে অনেক মেলা হতে পারবে। বইমেলার আন্তর্জাতিক যে ব্র্যান্ড, এই নামকরণের ফলে এটি সারা জীবন থেকে যাবে।

জাগো বাংলা’র স্টলে মুখ্যমন্ত্রী। ঘুরে দেখেন খবর ৩৬৫ দিন (Khabar 365 Din)-এর স্টলও।

কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব কয়েকদিনের মধ্যেই শুরু হবে।

যুদ্ধ হচ্ছে। কোন দেশের পক্ষে বা বিপক্ষে আমি বলতে চাই না। আমি বিশ্বের শান্তির পক্ষে বলতে চাই। প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠি দিয়েছি আমি। আসুন না আমরা বিশ্ব শান্তির পথ দেখাই। আসুন আমরা বিশ্ব শান্তির প্রার্থনা করি। দু’বছর তো কোভিডের কারণে কত মানুষ মারা গেল। আর নয়, আর যুদ্ধ নয় শান্তি চাই, বইমেলা থেকে এই আওয়াজ সমোচ্চারিত হোক। বইমেলায় আবার বিক্ষোভ করবেন না।
অনেকেই এর মধ্যে হারিয়ে গিয়েছেন, সন্ধ্যাদি, বাপিদা, সাধন দা, সুব্রতদা মারা গেছেন। বাংলা মিলিত হয় আন্তর্জাতিক ভাষায়। আমাদের বাংলার মাতৃভাষা ও বাংলা, বাংলাদেশের মাতৃভাষা ও বাংলা। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, শেখ হাসিনাজিকে শুভেচ্ছা, আপনারা সকলে ভাল থাকুন।
আমাদের কোন ধর্ম, তাতে তোমাদের কী? মাকে কেউ মা বলে, কেউ আম্মা কেউবা মাদার। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কিছু তারকাটার বেড়া দেওয়া আছে। আমাদের কিছু ঐতিহ্য ঐখানে পড়ে আছে, ওখানকার কিছু ঐতিহ্য এখানে রয়ে গেছে।

Advertisement

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here