চলতি মরশুমে ১৫-এ তে ফিরছে না জ্যোতি, চন্দ্রমুখী থাকবে ৩০ এর উপরেই

0

৩৬৫ দিন। চলতি মরশুমে ১৫-এ তে ফিরছে না জ্যোতি, চন্দ্রমুখী থাকবে ৩০ এর উপরেই। ১৫ টাকার দিন শেষ! এখন আলু চলবে ২৫ থেকে ২৬ এই। সাফ জানাচ্ছেন দোকানিরা। পরিস্থিতি অনুযায়ী বাড়লেও কমার কোন সম্ভাবনা নেই। রাতারাতি বাড়লেও বাড়তে পারে। যেমন দুদিন আগেই ২৮ এ পৌঁছে গিয়েছিল জ্যোতি আলু। চন্দ্রমুখী তো নাগালের বাইরেই। পাশাপাশি, আলুকে টেক্কা দিয়ে টমেটোও সেঞ্চুরি হাঁকাচ্ছে।

- Advertisement -

বিক্রেতারা জানাচ্ছেন, টমেটোর মরশুম শেষ হওয়ার দাম বেশি। তবে, এবার অনেকটাই বেশি। কারণ, এই সময় বিক্রি হওয়া টমেটোর বেশিরভাগই আমদানি করা হয় কর্ণাটক থেকে। বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বারংবার নষ্ট হয়ে গিয়েছে টমেটো। ফলে, সেই অভাব পূরণ করতে কিছুটা বেশি দামে আসছে। অন্যদিকে, আলুর দাম পড়ার বিষয়েও একই কারণ দেখিয়েছেন বিক্রেতারা।

তাঁদের বক্তব্য, চলতি মরশুমে অর্থাৎ গত শীতে বার বার হওয়ার পশ্চিমী ঝঞ্ঝার থেকে বৃষ্টি। দুইবার চাষ করে নষ্ট হয়ে গিয়েছে ফসল। তৃতীয়বার চাষী চাষ করেছে ঠিকই। কিন্তু, তিনবারের ঘাটতি মেটাতে পারেনি। কোনভাবেই সম্ভব নয়। অনেকে আবার লোকসানের ভয়ে চাষ করেননি। এইসব নানা কারণেই দায়ী করে তারা জানান, এইবার আলুর দাম আর কমার সম্ভাবনা নেই। এই দামেই কিনতে হবে আলু।

এক বিক্রেতা জানান, লাভের পরিমাণ খুবই কম থাকছে। কোল্ড স্টোরেে খরচ আছে। সেটাও যোগ হয়। তারপর পরিবহন খরচ তো আছেই। প্রসঙ্গত, জামাই ষষ্ঠীর সময় সবজি, মাছ, মাংস সবকিছুই পৌঁছেছিল অগ্নিমূল্য। ষষ্ঠী কাটতেও দাম ছিল চড়া। কলকাতার বিভিন্ন বাজারে সেই সময় মাছ বিক্রি হয়, গলদা চিংড়ি (ছোট) ৬০০ টাকা ৭৫০ টাকা, বাগদা চিংড়ি ৮০০ টাকা কেজি, পমফ্রেট মাছ ৮০০ টাকা, ভেটকি ৬০০ টাকা দরে বিক্রি হয়ছে। ইলিশ ১ কেজির কম ওজনের ১৫০০ টাকা, ১ কেজির বেশি ওজনের ২০০০-২৫০০ টাকা। ফলে, কমেছে ইলিশের চাহিদা। কাটা রুই কাতলা ছিল ৩৫০ থেকে ৪০০ কেজির মধ্যেই। চিকেন কেজি প্রতি ২৫০-২৬০ টাকা। মাটন ৮০০ টাকার কাছাকাছি। তবে, এখন কিছুটা হলেও কাঁচা সবজির দাম কমে এসেছে। মাছ মাংস আপাতভাবে আয়ত্তে।

Advertisement

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here