ওয়ার্ডে পোলিও আক্রান্তের রোগী খুঁজতে হবে সার্ভে,নির্দেশ পুরসভার

0

৩৬৫ দিন। নতুন করে শহরে চিন্তা বাড়াল পোলিও ভাইরাস।কয়েকবছর বাদে এই জীবাণুর খোঁজ মিলল।ফলে উদ্বিগ্ন কলকাতা পুরসভা।তবে পুরসভার কোনও ওয়ার্ডে আর কেউ পোলিও আক্রান্ত হয়েছেন কি না খোঁজ নিতে হবে সার্ভে।ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ নির্দেশ দেন,প্রতিটি ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের ও থানাকে এলাকায় কোনও পোলিও রোগী আছে কিনা খোঁজ করতে হবে।খোলা জায়গায় শৌচকর্ম যাতে না করা হয় সেবিষয়ও সচেতনতা প্রচার করতে হবে তাঁদের।

- Advertisement -

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম,ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ,পুরসভার স্বাস্থ্য উপদেষ্টা চিকিৎসক শান্তনু সেন-সহ আধিকারিকরা।দশক পেরিয়ে রাজ্যে পোলিও ভাইরাসের হদিশ, নজরদারি বাড়াল স্বাস্থ্য দফতর, টিকাকরণে জোর।প্রসঙ্গত,দশ বছরের পর আবারও রাজ্যে পোলিও জীবাণুর হদিশ মিলেছে।যা নিয়ে ইতিমধ্যেই উদ্বেগে স্বাস্থ্য কর্তারাও।স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, রুটিন মাফিক পরীক্ষা করতে গিয়ে কলকাতা পুরসভার ১৫ নম্বর বরোর মেটিয়াবুরুজ এলাকার নর্দমার জলে পোলিওর জীবাণুর সন্ধান পাওয়া যায়।

এরপর, মেটিয়াবুরুজ সহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় নজরদারি আরও বাড়ায় স্বাস্থ্য দফতর।ইউনিসেফের সঙ্গে যৌথ প্রচেষ্টায় মেটিয়াবুরুজ এলাকায় পোলিও ভাইরাস সনাক্ত করা হয় গতমাসে। তারপরই,তড়িঘড়ি ২৬ মে একটি বৈঠক সারেন স্বাস্থ্য ভবনের আধিকারিকরা।পোলিও টিকাকরণ কর্মসূচির পাশাপাশি সারা বছর হাসপাতালে ভর্তি সন্দেহজনক রোগীদের পর্যবেক্ষণ এবং বছরে দু বার বিভিন্ন এলাকায় নর্দমার জলের নমুনা পরীক্ষা করা হয়।নির্দিষ্ট এলাকায় কেউ পোলিও আক্রান্ত হয়েছেন কিনা?কিংবা কারও শরীরে কোনরকম লক্ষণ দেখা গিয়েছে কিনা?

সম্প্রতি, কেউ পোলিও টিকা নিয়েছেন কিনা? সেই নিয়েও খতিয়ে দেখছে স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা। রাজ্যের সমস্ত মেডিকেল কলেজ ও সরকারি হাসপাতালকেও সতর্ক করা হয়েছে। কেউ যদি দুর্বল প্রতিরোধ ক্ষমতা বা অন্যান্য পোলিও লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি থাকেন,তবে নির্দিষ্ট হাসপাতাল যেন সেই শিশুর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করার নির্দেশ দেয়। দফতরের এক আধিকারিক জানান, পোলিও ভাইরাস সনাক্ত হওয়ার পর রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে।তারই সঙ্গে সার্ভে শুরু করেছে পুরসভা।

Advertisement

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here