ঐতিহাসিক পদক্ষেপ প্রেস ক্লাব অফ ইন্ডিয়ায় শেখ মুজিবরের শতবর্ষে বঙ্গবন্ধু মিডিয়া সেন্টার

0
54

৩৬৫ দিন। নয়াদিল্লি । প্রেস ক্লাব ইন্ডিয়ায় সোমবার বাংলাদেশের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী নবগঠিত অত্যাধুনিক ‘বঙ্গবন্ধু মিডিয়া সেন্টারের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। একই সংগে বঙ্গবন্ধুর পূর্ণাঙ্গ অবয়বের প্রতিকৃতির আবরণ উন্মোচন করেন। এই উপলক্ষ্যে তিনি প্রেস ক্লাবের মিলনায়তনে আয়োজিত বর্ণাঢ্য সভায় বলেন,” বঙ্গবন্ধু মিডিয়া সেন্টার ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক যেমন উন্নত করবে তেমনি দুই দেশের জনতার সংগে জনতার সম্পর্কেও প্রসার ঘটাবে। ” এই অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর জীবনের উপর একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়। বাংলাদেশ মিশন এবং প্রেস ক্লাবের মধ্যে একটি সমঝোতা পত্র স্বাক্ষরিত হয়। মিশনের পক্ষে স্বাক্ষর করেন মিনিস্টার প্রেস শাবান মাহমুদ এবং সেকরেটারি জেনারেল বিনয় কুমার। তিনি বলেন,’ দুই দেশের সাংবাদিকরাই বার্তা সঠিকভাবে পৌঁছে দিয়ে জনতার মধ্যে আস্থা বর্ধন করবে।” মুকতিযুদ্ধের সময়ে ভারতের জনতা সহ সেনা বাহিনী ছাড়াও সাংসবাদিকরাও মহত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

- Advertisement -

মুকতিযুদ্ধের সময়ে দুই ভারতীয় সাংবাদিকের শহীদ হওয়ার কথাও স্মরণ করেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর জীবনের সংগ্রামের ইতিহাস সম্পর্কে ব্যাখ্যা করেন। স্মরণ করিয়ে দেন শুণেছি এই প্রেস ক্লাবে বৃটিশ সময়ে স্যার র্যাডক্লিফ দুই দেশের বিভাজনের মানচিত্র অংকন করেছিলেন। আজ প্রেস ক্লাবে প্রতিষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু মিডিয়া সেন্টার দুই দেশের বিভাজনকে উপেক্ষা করে মৈত্রী ও সাংস্কৃতিক বন্ধন দৃঢ় করবে।” উদ্বোধনের পুর্বে তথ্য মন্ত্রী রাজঘাটে ভারতের জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধির স্মৃতি সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অপর্ণ করেন। তারপর গান্ধি সংগ্রহশালা পরিদর্শন করেন। তিনি ‘সাংবাদিকরা জনমত তৈরি তে দুই মধ্যে সম্পর্ক দৃঢ় হয়। সাংবাদিকরা চাইলে আমলাদের মনোভাব যেমন বদল করতে পারেন তেমন রাজনীতিবিদদেরও মনোভাব বদলাতে পারেন। “অনুষ্ঠানে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ-মিয়ানমার বিভাগেরর যুগ্ম সচিব স্মিতা পন্থ এবং অধিকর্তা গিনিজ মাত্তন উপস্থিত ছিলেন। শ্রীমতী পন্থ বলেন,” বঙ্গবন্ধু মিডিয়া সেন্টার স্থাপনের জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশন এবং প্রেস ক্লাব কে অশেষ ধন্যবাদ। ”

Advertisement

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here