মুখ খুললেন নোবেলজয়ী অভিজিৎ, লুকিয়ে কৃষক আইন পাশ করে বিশ্বাসভঙ্গ করেছেন মােদি

0

Last Updated on December 17, 2020 12:59 AM by Khabar365Din

৩৬৫ দিন। গােটা দেশের পাশাপাশি সারা পৃথিবীর মানুষ যখন করােনা মহামারীর সঙ্গে লড়াই করছেন, সেই সময় লুকিয়ে কৃষক স্বার্থবিরােধী কৃষি বিল পাস করিয়ে দেশের মানুষের বিশ্বাসভঙ্গ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এভাবেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মােদির সরকারের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন নােবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর মতে, মহামারীর পরে অর্থনীতি নিয়ে চারিদিকে যখন এত সংশয়, তখন কৃষি আইন কার্যকর করাটা একেবারেই বুদ্ধিমানের পরিচয় নয়। এই মুহূর্তে বহু মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। তাই সরকারের উচিত আপাতত যতদিন সংসদে এই আইন নিয়ে আলােচনা হচ্ছে, ততদিনের জন্য তা প্রত্যাহার করে নেওয়া।শুধু অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় নন, একতরফাভাবে দেশের কৃষক সংগঠন এবং বিরােধী রাজনৈতিক দলগুলির আপেিত কর্ণপাত না করে জোড়া কৃষি বিল আইনে পরিণত করে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার দেশের সাধারণ মানুষ এবং কৃষকদের সঙ্গে বিশ্বাস ভঙ্গ করেছেন। বলে আগেই অভিযােগ করেছিলেন নােবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন এবং বিশ্বব্যাংকের প্রান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা কৌশিক বসুর মতাে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অর্থনীতিবিদরা ভারতের মতাে তৃতীয় বিশ্বের দেশে দারিদ্র সীমার নিচে বসবাসকারী মানুষের অর্থনীতি এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য রাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে দীর্ঘদিন গবেষণা করা অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমি বলব এই মহামারীর আবহে এই আইন কার্যকর করাটা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। অর্থনীতিতে মন্দা চলছে। অনেক কৃষকই বুঝতে পারছেন না, এরপর ফসলের দাম কেমন হবে। মনে হচ্ছে যেন অর্থনীতি অবাধ পতনের মুখে। এই বৃহত্তর অর্থনৈতিক বিষয়গুলি মানুষকে আরও নিরাপত্তাহীন করে তুলছে। সরকারের যে প্রস্তাব, তা পুরােপুরি মানুষের কাছে পৌঁছচ্ছে না। কৃষকরা ভাবছেন, এক বা দুণজন কর্পোরেট যদি আমাদের কুক্ষিগত করে ফেলে তাহলে কী হবে? সে তাে অনেক কিছুই হতে পারে। কিন্তু সরকারকে বােঝাতে হবে, এই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হলে সামাল দেওয়ার জন্য কী পরিকল্পনা তারা করেছে। সরকারের উচিত কৃষকদের বলা, আপনাদের কথাকে গুরুত্ব দিয়ে যতদিন না সংসদে এই আইন নিয়ে আলােচনা হচ্ছে, ততদিন এটাকে প্রত্যাহার করা হল।

- Advertisement -
Advertisement

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here