রাজধানী ছাড়ার আগে জানিয়ে গেলেন,২ মাস অন্তর দিল্লি আসতে পারেন মমতা

0

Last Updated on July 30, 2021 11:35 PM by Khabar365Din

৩৬৫দিন। নয়াদিল্লি। দিল্লি সফর সফল হয়েছে। রাজনৈতিক ভাবে,উন্নয়নের জন্য একাধিক বৈঠক হয়েছে। আজ দিল্লি থেকে কলকাতা ফেরার আগে এমনটাই জানালেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। করোনা ও বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের জন্য প্রায় দু বছর পরে দিল্লি গেলেও এবার থেকে প্রতি দুই মাসে একবার করে দিল্লি আসবেন মমতা। করো না পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হওয়ায় এবং বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের ঝামেলা মিটে যাওয়ার পরে পাঁচদিনের দিল্লি সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় সড়ক ও সড়ক পরিবহনমন্ত্রী নীতিন গড়কড়ির সঙ্গে রাজ্যের দাবি-দাওয়া নিয়ে বৈঠক ও প্রটোকল রক্ষার পাশাপাশি আগামী লোকসভা নির্বাচনের আগে সর্বভারতীয় স্তরে ভাজপা বিরোধী জোট গড়ে তোলার জন্য কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী থেকে শুরু করে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং করুনানিধি কন্যা কানিমোজির সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি। তাই স্বাভাবিক ভাবেই লোকসভা নির্বাচনের প্রায় আড়াই বছর বাকি থাকতে ভাজপা বিরোধী জোট গড়ার ক্ষেত্রে এই সমস্ত বৈঠক অত্যন্ত সদর্থক হয়েছে বলে মনে করছেন মমতা। এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়ারের সঙ্গে বৈঠক না হলেও ফোনে কথা হয়েছে বলে জানিয়ে মমতা বলেন, শরদ জি-র সঙ্গে কথা হয়েছে।‌ উনি মুম্বাইয়ে আছেন। পরেরবার ওঁর সঙ্গে বৈঠক হবে। সকলে মিলে একসঙ্গে কাজ করার জন্য আমি ভেবেছি প্রতি দুই মাসে একবার করে দিলি আসবো বাংলার কাজ করার সঙ্গে সঙ্গে। রাজনৈতিকভাবে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি এক হয়ে কাজ করাই দেশের পক্ষে সব থেকে ভাল। সব নেতার সঙ্গে দেখা করতে পারিনি, কারণ হাউসে সেন্ট্রাল হলে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি কোভিডের কারণে তবু অসংখ্য রাজনৈতিক নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। আমরা একসঙ্গে কাজ করব।

- Advertisement -

গণতন্ত্র বাঁচাও, দেশ বাঁচাও

মমতা আজ আগামী লোকসভা নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে নতুন স্লোগান তৈরি করে বলেন, গণতন্ত্র বাঁচাও, দেশ বাঁচাও।‌ গণতন্ত্র চলতে থাকবে। গণতন্ত্রকে বাঁচাতে সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করব। কাজ করার ক্ষেত্রে দেশ সব থেকে বড় জায়গা। গণতন্ত্রে আঘাত এলে, দেশেও আঘাত আসে। গণতন্ত্র বাঁচাও, দেশ বাঁচাও – এটাই আমাদের স্লোগান। কৃষকের প্রতি আমার পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। ২ মাস অন্তর এক বার করে আসব। মুম্বাইয়ে খুব বৃষ্টি হয়েছে, অসংখ্য মানুষ মারা গিয়েছেন। এ জন্যে আমি অত্যন্ত দুঃখিত। বাংলাতেও খুব বৃষ্টি হচ্ছে। বন্যার মতো পরিস্থিতি হয়ে যাবে কিনা বোঝা যাচ্ছে না। ফিরে গিয়ে আমাকে পুরো বিষয়টা পর্যালোচনা করতে হবে। আমরা দেশের মানুষের জন্য উন্নয়ন চাই। এই মুহূর্তে পেট্রোল, ডিজেল, রান্নার গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির কারণে প্রত্যেকেই আশঙ্কায় রয়েছে। ৩.৭ লক্ষ কোটি টাকা সরকার সাধারণ মানুষের পকেটের থেকে নিয়ে নিয়েছে। কৃষকেরা রাস্তায় আছেন, কর্মহীনতা বাড়ছে, কোভিড বাড়ছে, কোভিডের তৃতীয় ওয়েভ কী হবে কেউ জানে না।

Advertisement

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here