Kolkata Market: বৃষ্টিহীনতা, তাপমাত্রা ওঠানমাতে উৎপাদন অর্ধেক, পয়লা বৈশাখে অগ্নিমূল্য সবজি, মাছ, মাংস

0

Last Updated on April 15, 2023 11:33 AM by Khabar365Din

৩৬৫ দিন। পয়লার দুপুর মানেই, বাঙালির কাছে পঞ্চব্যাঞ্জন, ভুরিভোজ! কিন্তু, নববর্ষের দুপুরের তরি-তরকারিতেও কি আলুর রাজত্ব? উচ্ছে, বেগুন, পটল, ঝিঙে-ত এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরেই। একই অবস্থা মাছ, মাংস বাজারেও। চিকেন ২৫০ কোথাও ২৬০ টাকা কেজি, মাটন ৮০০ তেই। বিগত বছরে এই সময় কার্যত ৪০ থেকে ৫০ এ নেমেছিল গরমের সবজি। আর, এ বছরে এখনও সেই ৮০, ৯০, ১০০ তেই। তার উপর রয়েছে নববর্ষের হিড়িক। এই প্রসঙ্গে টাস্ক ফোর্সের এক সদস্য জানান, অত্যধিক গরমের কারণে লতানে সবজির গাছ শুকিয়ে যাচ্ছে। ফল ঠিকমত হচ্ছে না। আকারে ছোট হয়ে যাচ্ছে। উৎপাদন কমছে। এছাড়াও, সেচের জল দিতে হচ্ছে জমিতে। ফলে, অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে। শহরে সবজি নিয়ে আসার সময়ও গরমের কারণে নষ্ট হচ্ছে কিছু সবজি। তবে, কি এই মরশুমে এভাবেই চলবে দরদাম? ঠিক কবে কমবে সবজির দাম?

ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনা। বৃষ্টিহীনতা, তাপমাত্রার ওঠানামা। কমছে উৎপাদন। চাহিদার তুলনায় অর্ধেক যোগান। যার জেরে পাইকারি এবং খুচরো বাজারে নিয়মিত মূল্যবৃদ্ধি। রাজ্যের টাস্ক ফোর্সের সদস্য কমল দে জানান, অর্ধেকের কম উৎপাদন। সেটাই যোগান এবং উৎপাদন সমীকরণে শূন্যস্থান তৈরি করেছে। তাপমাত্রার ওঠানামা এবং অপর্যাপ্ত বৃষ্টির কারণে গাছে ঠিকমত ফলন হচ্ছে না। একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় ফলনের উপযোগী। আর, তার পরিমাণ হিসেবেই বেশিরভাগ সবজিই মধ্যবিত্তের কেনার বাইরে।

এক বিক্রেতা রবি কর জানাচ্ছেন, হোলসেল বাজারে অনেকটাই বেশি দাম। সেকারণেই নষ্ট হওয়ার ভয়ে খুচরো বিক্রেতারা সবজি কিনছেন না কিছুতেই। এখন গরমের কারণে সবজি অনেক বেশি পচনশীল। তাই, নষ্টের ভয়ে একেবারে জলের দরে বিক্রি করতে হচ্ছে সবজি। এর ফলে চাষীদের অনেক বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার সম্ভাবনা। কলকাতার বাজারের তথ্য অনুযায়ী, বেগুন ৬০-৭০ টাকা কেজি, পটল ৮০-৯০ টাকা, ঝিঙে ৬০-৭০ টাকা, এছোর ৫০-৬০ টাকা। এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে ব্যবসায়ী কবিতা জানান, পেঁপে ২৫ টাকা, কুমড়ো ৩০ টাকা, আলু ১৪ থেকে ১৫ টাকা,টমেটো ৫০-৬০ টাকা এবং বরবটি ৪০ টাকার পাশাপাশি।উল্লেখ্য, বছর খানেক আগে তুলনামূলকভাবে কম ছিল গ্রীষ্মকালীন সবজির দর। অতিরিক্ত ফলনে ক্ষতির মুখে পড়েন চাষীরা