বাজপেয়ী মন্ত্রীসভার প্রাক্তন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী যশবন্ত সিনহা তৃণমূলে

0

Last Updated on March 13, 2021 9:16 PM by Khabar365Din

৩৬৫ দিন। অটল বিহারি বাজপেয়ী যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার চালাতেন, সমস্ত নীতি-আদর্শকে বিসর্জন দিয়ে দেশে নির্বাচন কমিশন এবং বিচার ব্যবস্থাকে কুক্ষিগত করে স্বৈরাচারী শাসন প্রতিষ্ঠা করেছেন নরেন্দ্র মোদী এবং অমিত শাহ জুটি। কোন রাখঢাক না করেই এমন বিস্ফোরক অভিযোগ করে কলকাতায় এসে তৃণমূলে যোগ দিলেন বাজপেয়ী জমানায় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী এবং দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর দায়িত্ব সামলানো প্রবীণ নেতা যশবন্ত সিনহা।
মমতা শুরু থেকেই ফাইটার। কান্দাহার বিমান অপহরণের সময় নিজে পণবন্দী হিসেবে যেতে চেয়েছিলেন। জঙ্গিদের হাত থেকে বন্দীদের ছাড়ানোর জন্য নিজে আত্মত্যাগ করতে রাজি ছিলেন মমতা। মমতার মত এমন সাহসী নেত্রীকে এই মুহূর্তে প্রয়োজন দেশের গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করতে। দূর থেকে নয়, বরং একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করব, বলেই তৃণমূলে যোগদান করে তাঁর চ্যালেঞ্জ ২০২৪-এ পরিবর্তনের সূচনা হবে বাংলা থেকে। আজ তৃণমূল ভবনে সুদীপ,ডেরেক, সুব্রতদের উপস্থিতিতে তৃণমূলে যোগ দিলেন তিনি।
তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নিয়ে তিনি বলেন, মোদি শাহের সরকার দেশে স্বেচ্ছাচার চালাচ্ছে। এদের বাধা দেওয়ার মতো কেউ নেই। দেশের গণতন্ত্র আজ বিপন্ন। এক অদ্ভুত পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে দেশ। সমস্ত সাংবিধানিক এবং তথাকথিত স্ব-শাসিত প্রতিষ্ঠান দুর্বল হয়ে পড়েছে। গণতন্ত্র বজায় রাখতেই একজোট হওয়া প্রয়োজন।তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী থাকাকালীন বাজপেয়ী মন্ত্রিসভায় তাঁর সতীর্থ ছিলেন মমতাও। সেই প্রসঙ্গ টেনে যশবন্ত বলেন, অটলজির সময়কার বিজেপি-র থেকে এখনকার বিজেপি অনেক আলাদা। এখন বিজেপি দেশের সমস্ত বিরোধী শক্তিকে পদানত করতে চায়। যে কারণে শিবসেনা, অকালি দলের মতো শরিকরা ছেড়ে চলে গিয়েছে। পুরনোদের মধ্যে একমাত্র নীতিশ কুমারই রয়েছেন। মমতাজি আর আমি দু’জনেই অটলজির সংসারে ছিলাম। মোদি-শাহ দিল্লি থেকে যা করছেন, তা দেশবাসী বরদাস্ত করবে না। শুধু বাংলায় নয়, দেশের ভবিষ্যতের পক্ষে এই ভোট গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৪-এ পরিবর্তনের সূচনা হবে বাংলা থেকে।
যশবন্ত সিনহা বলেন, আপনাদের মনে হচ্ছে কেন আমি আবার রাজনীতিতে এলাম। দেশের পরিস্থিতি বড়ই অদ্ভূত। যে নীতি মেনে চলার কথা তা চলা হচ্ছে না। আমাদের দেশের পক্ষে ক্ষতিকর সময়। প্রজাতন্ত্রের মানে ৫ বছর অন্তর শুধু ভোট দেওয়া নয়, এর অর্থ প্রতিটি মুহূর্তে দেশের সরকার মানুষের কাজ করবে। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যতবার কঠিন পরিস্থিতি এসেছে ততবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। আজও ৪৫ মিনিট কথা হয়েছে তাঁদের। যশবন্ত সিনহার তৃণমূলে যোগদান ইতিবাচক হবে।

- Advertisement -
Advertisement

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here