দিদির দূত অভিষেকের হুঙ্কার
দেবী দুর্গার তেজে ভাজপা
বধ হবে

0
514

৩৬৫ দিন। কুলপি ও সোনারপুর। কত ঔদ্ধত্য ভাবুন! বলছে, দুর্গার পূর্ব পুরুষের কোনও পরিচয় নেই? মহিষাসুর বধ মনে আছে? সে ভাবেই বধ করা হবে এই ভাজপাকে। মা দুর্গার মতোই এখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক দিকে, আর এক দিকে, ভাজপা, ইডি-সিবিআই, জগাই-মাধাই। মহিষাসুর বধ হওয়া এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। এভাবেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপির সভা থেকে ভাজপাকে আক্রমণ করলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, কাল দিলীপ ঘোষ বলেছেন, রামের চোদ্দপুরুষের আদি বৃত্তান্ত জানি। কিন্তু মা দুর্গার ব্যাপারে কিছু জানি না। ওদের কাছে রামই সর্বেসর্বা। দুর্গার কোনও মূল্য নেই। অথচ যে রামের নামে এরা ধ্বনি দেয়, তাঁকে আমরা অকাল বোধনের রাম বলে জানি, যিনি মা দুর্গার জন্য নিজের চোখ পর্যন্ত দান করেছিলেন। সেই দুর্গার প্রতি এঁদের এমন আচরণের কারণ জানেন? আসলে এঁরা নারীদের সম্মান করতে জানেন না। নারীর ক্ষমতা কী জিনিস, তা শিখিয়ে দিল্লি ফেরত পাঠাতে হবে এঁদের।

- Advertisement -

বহিরাগত গুটখাখোর হটানোর লড়াই

নেতাজির জন্মদিনে যেভাবে মমতাকে অসম্মান করা হয়েছিল তা নিয়েও অভিষেক বলেন, নেতাজি কি রাজনীতির পাত্র? ভিক্টোরিয়ায় নেতাজির জন্মদিনে এক জন মহিলাকে অসম্মান করছে? বাংলার লোক বলে গাত্রদাহ? এটা মমতাকে মুখ্যমন্ত্রীর করার লড়াই নয়, এটা বহিরাগতদের বাংলা থেকে হটানোর লড়াই। উত্তরপ্রদেশের গুটখার থুতুতে বাংলার লোহা জং ধরবে না। আগামী ৫০ বছর বাংলায় তৃণমূল থাকবে। বাংলার সংস্কৃতি জানে না এরা। ক’দিন আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলে গিয়েছেন বিবেকানন্দ ঠাকুর।

একা মমতার মোকাবিলায় ভাজপার ৫০০ ইঞ্জিন

অভিষেক এদিন বলেন, মমতা এমন এক জন নারী যাঁর বিরুদ্ধে লড়াই করতে বিজেপি–র সর্বভারতীয় সভাপতি থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী, তাবড় তাবড় ক্যাবিনেট মন্ত্রী, সর্বভারতীয় স্তরের শয়ে শয়ে নেতা বাংলায় ক্যাম্প করে বসে আছে। বলছে, ওরা নাকি ডবল ইঞ্জিন সরকার করবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটা ইঞ্জিনের সঙ্গে মোকাবিলা করতে গিয়ে মাঠে ৫০০ ইঞ্জিন নামাতে হচ্ছে ভাজপাকে।

জয় সিয়ারাম বলানোর চ্যালেঞ্জ

ভাজপার জয় শ্রীরাম স্লোগানে যেভাবে শুধুমাত্র পুরুষকারের জয়ধ্বনি দিয়ে সীতাকে বঞ্চিত করা হয়েছে তা তুলে ধরে অভিষেকের হুঙ্কার, যদি বাপের ব্যাটা হই, ভোট শেষ হওয়ার আগে ওদের জয় সিয়ারাম বলিয়ে ছাড়ব। ভাজপা মহিলাদের সম্মান করতে জানে না। এককথায় তারা নারী বিদ্বেষী। তাই সীতা যেহেতু মহিলা, কখনওই রামের আগে সীতার নাম সিয়া উচ্চারণ করে না তারা। যে কারণে সারাক্ষণ জয় শ্রীরাম বললেও কখনও জয় সিয়ারাম বেরোয় না ওদের মুখ থেকে।

ভাজপার সুনার বাংলা

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে ভাজপা নেতারা যেভাবে বাংলায় এসে সোনার বাংলা গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে চলেছেন তা নিয়ে অভিষেকের ব্যঙ্গ,
সোনার বাংলা উচ্চারণও করতে পারে না। আগে উচ্চারণ করা শিখুন। বলেন সুনার বাংলা। আগে সোনার উত্তরপ্রদেশ, সোনার গুজরাট বানান তার পর বাংলার দিকে চোখ তুলে তাকাবেন। কারা তলে তলে বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিল তা এখন স্পষ্ট। এখন দলের স্টিয়ারিং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে। এবার ২৫০ আসনের থেকে একটি আসনও কম পাবে না তৃণমূল।

Advertisement

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here